ক্যাটাগরি: মাৎস্য পরিসংখ্যান | মাৎস্য সম্পদ

বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ পরিসংখ্যান: ২০০৮-২০০৯

বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তর অন্যান্য বছরের মত ২০১০ সালেও ২০০৮-২০০৯ বছরের মৎস্য সম্পদের বছরওয়ারি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সেই পরিসংখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে বিশ্লেষণসহ উপস্থাপন করা হল। মূলত ২০১০ সালের বিভিন্ন মৎস্য সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরি ভিত্তিক তথ্য/উপাত্ত এবং এর বাৎসরিক বৃদ্ধি বা হ্রাসের শতকরা হার এখানে দেখানো হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ মৎস্যের জলায়তন (৪৫,৭৫,৭০৬ হেক্টর) ও সামুদ্রিক মৎস্যের জলায়তন গত এক বছরে অপরিবর্তিত রয়েছে। যেমনটি অপরিবর্তিত রয়েছে সামুদ্রিক মৎস্যে জলায়তন, জেলের সংখ্যা, মৎস্য চাষির সংখ্যা (টেবিল-এক, দুই, তিন ও চার)।

টেবিল-একঃ অভ্যন্তরীণ মৎস্যের জলায়তন

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

বদ্ধ জলাশয়

পুকুর ও ডোবা

৩,০৫,০২৫

হেক্টর

বাঁওড় ৫,৪৮৮

হেক্টর

চিংড়ি খামার ২,১৭,৮৭৭

হেক্টর

মোট ৫,২৮,৩৯০

হেক্টর

উন্মুক্ত জলাশয়

নদী ও মোহনা

৮,৫৩,৮৬৩

হেক্টর

সুন্দরবন ১,৭৭,৭০০

হেক্টর

বিল ১,১৪,১৬১

হেক্টর

কাপ্তাই লেক ৬৮,৮০০

হেক্টর

প্লাবনভূমি ২৮,৩২,৭৯২

হেক্টর

মোট ৪০,৪৭,৩১৬

হেক্টর

সর্বোমোট ৪৫,৭৫,৭০৬

হেক্টর

টেবিল-দুইঃ সামুদ্রিক মৎস্যের জলায়তন

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

সমুদ্রসীমা

২,৬৪০

বর্গ নটিক্যাল মাইল

একান্ত অর্থনৈতিক এলাকা ৪১,০৪০

বর্গ নটিক্যাল মাইল

মহীসোপান এলাকা ২৪,৮০০

বর্গ নটিক্যাল মাইল

উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তৃতি ৭১০

কিলোমিটার

টেবিল-তিনঃ জেলের সংখ্যা

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের জেলে

৭.৭০

লক্ষ জন

সামুদ্রিক জেলে ৫.১০

লক্ষ জন

মোট ১২.৮০ লক্ষ জন

টেবিল-চারঃ মৎস্য চাষির সংখ্যা

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

মৎস্য চাষি

১৯.৩০

লক্ষ জন

চিংড়ি চাষি ১১.৫০

লক্ষ জন

মোট

৩০.৮০

লক্ষ জন

টেবিল-পাঁচ, ছয় ও সাত থেকে জানা যায় এবছর দেশের মোট মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ২৭,০১,৩৭০ মে. টন যা গত বছরের চেয়ে ৫.৩৯ শতাংশ বেশি। এরমধ্যে অভ্যন্তরীন জলাশয়ের মৎস্য উৎপাদন বেড়েছে ৫.৮৬ শতাংশ এবং সামুদ্রিক উৎস্য হতে উৎপাদন বেড়েছে ৩.৪৩%। অভ্যন্তরীন জলাশয়ের মৎস্য উৎপাদনের মধ্যে বদ্ধ জলাশয়ের (চাষকৃত) মৎস্য উৎপাদন বেড়েছে ৫.৬৯% এবং উন্মুক্ত জলাশয়ের (আহরিত) মৎস্য উৎপাদন বেড়েছে ৬.০১% (টেবিল-পাঁচ)। এর মধ্যে সর্বোচ্চ উৎপাদন বেড়েছে (৭.৩৩%) প্লাবনভূমি থেকে এবং সর্বনিম্ন উৎপাদন বেড়েছে (০.৯৯%) নদী ও মোহনা থেকে (টেবিল-পাঁচ)। হেক্টর প্রতি মাছের গড় উৎপাদন সর্বোচ্চ বেড়েছে চিংড়ি খামারে (৮.০৯%) আর সর্বনিম্ন বেড়েছে নদী ও মোহনায় (১.২৫%) [টেবিল-আট]। প্রজাতি ভিত্তিক মৎস্য উৎপাদন বেড়েছে ইলিশের ক্ষেত্রে ৩.০৮% এবং চিংড়ির ক্ষেত্রে ৯.৮১% (টেবিল-নয়)।

টেবিল-পাঁচঃ মোট মৎস্য উৎপাদনঃ অভ্যন্তরীণ জলাশয় হতে-

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

বদ্ধ জলাশয় (চাষকৃত)

পুকুর ও ডোবা

৯,১২,১৭৮

মে. টন

+ ৫.৩৩
বাঁওড় ৫,০৩৮

মে. টন

+ ৫.৪৪
চিংড়ি খামার ১,৪৫,৫৮৫

মে. টন

+ ৮.০৭
মোট ১০,৬২,৮০১ মে. টন + ৫.৬৯

উন্মুক্ত জলাশয় (আহরিত)

নদী ও মোহনা

১,৩৮,১৬০

মে. টন

+ ০.৯৯
সুন্দরবন ১৮,৪৬২ মে. টন + ১.৭১
বিল ৭৯,২০০ মে. টন + ২.১৬
কাপ্তাই লেক ৮,৫৯০ মে. টন + ৪.১৫
প্লাবনভূমি ৮,৭৯,৫১৩ মে. টন + ৭.৩৩
মোট ১১,২৩,৯২৫ মে. টন + ৬.০১
সর্বোমোট ২১,৮৬,৭২৬ মে. টন + ৫.৮৬

টেবিল-ছয়ঃ মোট মৎস্য উৎপাদনঃ সামুদ্রিক জলাশয় হতে-

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

ট্রলার দ্বারা আহরিত ৩৫,৪২৯

মে. টন

+ ৩.৭২

আর্টিসেনাল (ইঞ্জিন চালিত নৌকা দ্বারা আহরিত) ৪,৭৯,২১৫

মে. টন

+ ৩.৪১

মোট

৫,১৪,৬৪৪

মে. টন

+ ৩.৪৩

টেবিল-সাতঃ মোট মৎস্য উৎপাদন

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

অভ্যন্তরীণ জলাশয়

২১,৮৬,৭২৬

মে. টন

+ ৫.৮৬

সামুদ্রিক জলাশয়

৫,১৪,৬৪৪

মে. টন

+ ৩.৪৩

মোট

২৭,০১,৩৭০

মে. টন

+ ৫.৩৯

টেবিল-আটঃ গড় মৎস্য উৎপাদন (অভ্যন্তরীণ জলাশয় হতে)

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

বদ্ধ জলাশয় (চাষকৃত)

পুকুর ও ডোবা

২,৯৯১

কেজি/হেক্টর

+ ৫.৩৫

বাঁওড় ৯১৮ কেজি/হেক্টর

+ ৫.৪০

চিংড়ি খামার ৬৬৮

কেজি/হেক্টর

+ ৮.০৯

উন্মুক্ত জলাশয় (আহরিত)

নদী ও মোহনা

১৬২

কেজি/হেক্টর

+ ১.২৫

সুন্দরবন ১০৪ কেজি/হেক্টর

+ ১.৯৬

বিল ৬৯৪ কেজি/হেক্টর

+ ২.২১

কাপ্তাই লেক ১২৫ কেজি/হেক্টর

+ ৪.১৭

প্লাবনভূমি ৩১০ কেজি/হেক্টর

+ ৭.২৭

টেবিল-নয়ঃ প্রজাতি ভিত্তিক মৎস্য উৎপাদন

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

ইলিশ ২,৯৮,৯২১

মে. টন

+ ৩.০৮
চিংড়ি ২,৪৪,৯৭২

মে. টন

+ ৯.৮১

সকল ধরণের জলাশয় থেকে মাছের উৎপাদন বাড়লেও মৎস্য ও মৎস্যজাত দ্রব্য রপ্তানির পরিমাণ, মূল্য ও বৈদেশিক মুদ্রায় অবদান যথাক্রমে ৩.২০, ৪.৫০ এবং ২৫.৭৪ শতাংশ কমে হয়েছে ৭২,৮৮৮ মে. টন, ৩,২৪৩.৪১ কোটি টাকা এবং ৩.০০%। যদিও মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্টের সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় নি (টেবিল-দশ)।

টেবিল-দশঃ মৎস্য ও মৎস্যজাত দ্রব্য রপ্তানি

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

পরিমাণ ৭২,৮৮৮

মে. টন

– ৩.২০

মূল্য ৩,২৪৩.৪১

কোটি টাকা

– ৪.৫০

মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্ট

১৩৩

টি

বৈদেশিক মুদ্রায় অবদান ৩.০০ শতাংশ

– ২৫.৭৪

জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদানের মধ্যে জিএনপি-তে মাছের মূল্য ও অবদানের কোন পরিবর্তন হয় নি অন্যদিকে কৃষিখাতে অবদান ২২.২৩% যা গত বছরের চেয়ে ৬.৫২ শতাংশ বেশি (টেবিল-এগার)।

টেবিল-এগারঃ জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

জিএনপি-তে মাছের মূল্য ১৯,৫৬৭.৯০

কোটি টাকা

জিএনপি-তে অবদান ৩.৭৪

শতাংশ

কৃষিখাতে অবদান

২২.২৩

শতাংশ

+ ৬.৫২

জনপ্রতি মাছের বাৎসরিক চাহিদা ২০.৪০ কেজি যা গত এক বছরে বেড়েছে ১৩.৫৬%। অন্যদিকে বাৎসরিক মাছের মোট চাহিদা ১৪.৮৩% বেড়ে দাড়িয়েছে ২৯.৭৪ লক্ষ মে. টন। জনপ্রতি বাৎসরিক মাছ গ্রহণের পরিমাণ মাত্র ১.৬৮% বাড়লেও জনপ্রতি বাৎসরিক মাছের ঘাটতি অবিশ্বাস্যভাবে ২৭৯.২২% বেড়ে হয়েছে ২.৯২ কেজি (টেবিল-বার)।

টেবিল-বারঃ মাছ গ্রহণ, চাহিদা ও ঘাটতি

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

জনপ্রতি মাছের বাৎসরিক চাহিদা

২০.৪৪

কেজি

+ ১৩.৫৬

জনপ্রতি বাৎসরিক মাছ গ্রহণ

১৭.৫২

কেজি

+ ১.৬৮

জনপ্রতি বাৎসরিক মাছের ঘাটতি

২.৯২

কেজি + ২৭৯.২২
বাৎসরিক মাছের চাহিদা ২৯.৭৪ লক্ষ মে. টন + ১৪.৮৩
প্রাণিজ আমিষ সরবরাহে মাছের অবদান ৫৮ শতাংশ

টেবিল-তের থেকে দেখা যায়- দেশে মৎস্য হ্যাচারির সংখ্যা ২.১৮% কমে দাড়িয়েছে ৮৫৪টি। কিন্তু হ্যাচারিতে রেণু উৎপাদন ১০.২৮% বেড়ে হয়েছে ৪,৫৯,৮০৪ কেজি। অন্যদিকে মৎস্য নার্সারির সংখ্যা মাত্র ১.৯৪% বাড়লেও নার্সারিতে পোনা মাছ উৎপাদন ৫৪.৩২% বেড়ে হয়েছে ৯৬,০০১ লক্ষ। প্রাকৃতিক উৎস্য হতে রেণু সংগ্রহের পরিমাণ মাত্র ০.২১% বেড়ে হয়েছে ১,৮৭৬ কেজি।

টেবিল-তেরঃ সরকারী মৎস্য হ্যাচারি ও নার্সারির সংখ্যা এবং রেণু উৎপাদন ও সংগ্রহ

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

মৎস্য হ্যাচারির সংখ্যা

৮৫৪

টি

– ২.১৮

হ্যাচারিতে রেণু উৎপাদন

৪,৫৯,৮০৪

কেজি + ১০.২৮

মৎস্য নার্সারির সংখ্যা

৮,৮৮১

টি

+ ১.৯৪
নার্সারিতে পোনা মাছ উৎপাদন ৯৬,০০১ লক্ষ টি + ৫৪.৩২
প্রাকৃতিক উৎস্য হতে রেণু সংগ্রহ ১,৮৭৬ কেজি + ০.২১

বাগদা হ্যাচারির সংখ্যা সামান্য বাড়ে (১.৭৫%) ৫৮টি হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে বাগদার রেণু (পিএল) উৎপাদন, গলদা হ্যাচারি সংখ্যা, গলদার রেণু (পিএল) উৎপাদন ও প্রাকৃতিক উৎস্য থেকে চিংড়ির রেণু (পিএল) সংগ্রহের পরিমাণ (টেবিল-চৌদ্দ)।

টেবিল-চৌদ্দঃ বেসরকারী চিংড়ি হ্যাচারির সংখ্যা এবং রেণু উৎপাদন ও সংগ্রহ

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

বাগদা হ্যাচারির সংখ্যা

৫৮

টি

+ ১.৭৫

বাগদার রেণু (পিএল) উৎপাদন

৫১,০০০

লক্ষ টি

গলদা হ্যাচারি সংখ্যা

৫৩

টি

গলদার রেণু (পিএল) উৎপাদন ১০,৮০০ লক্ষ টি
প্রাকৃতিক উৎস্য থেকে চিংড়ির রেণু (পিএল) সংগ্রহ ১০,০০০ লক্ষ টি

মৎস্য/চিংড়ি প্রশিক্ষণ খামার, মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি, মৎস্য হ্যাচারি/মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার, বাগদা চিংড়ি হ্যাচারি, গলদা চিংড়ি হ্যাচারি, চিংড়ি প্রদর্শনী খামার, চিংড়ি আহরণ ও সেবা কেন্দ্র, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (বিএফডিসি) ও মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র/উপকেন্দ্রের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলেও হ্যাচারিতে বেণু উৎপাদন ২১.১৬% কমে হয়েছে ৫,৫৫০ কেজি (টেবিল-পনের)।

টেবিল-পনেরঃ সরকারী অবকাঠামো (সংখ্যায়)

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

মৎস্য/চিংড়ি প্রশিক্ষণ খামার

০৬

টি

মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি

০১

টি

মৎস্য হ্যাচারি/মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার

১১২

টি

হ্যাচারিতে বেণু উৎপাদন ৫,৫৫০ কেজি

– ২১.১৬

বাগদা চিংড়ি হ্যাচারি ০২ টি

গলদা চিংড়ি হ্যাচারি ১৭ টি

চিংড়ি প্রদর্শনী খামার ০২ টি

চিংড়ি আহরণ ও সেবা কেন্দ্র ২০ টি

মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (বিএফডিসি) ০৯ টি

মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র/উপকেন্দ্র ০৯ টি

সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ ইউনিটের মধ্যে কেবলমাত্র ট্রলারের সংখ্যা ৬.০২% বেড়ে হয়েছে  ১৪১টি কিন্তু ইঞ্জিন চালিত নৌকা, ইঞ্জিন বিহীন নৌকা, সনাতনী নৌকা এবং জাল ও বড়শীর পরিমাণ বয়েছে অপরিবর্তিত (টেবিল-ষোল)।

টেবিল-ষোলঃ সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ ইউনিট (সংখ্যায়)

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

ট্রলার

১৪১

টি

+ ৬.০২

ইঞ্জিন চালিত নৌকা

২১,৪৩৩

টি

ইঞ্জিন বিহীন নৌকা

২২৫২৭

টি

সনাতনী নৌকা ৪৩,৯৬০ টি

জাল ও বড়শী* ২,১৮,৫৮১ টি

বিদেশী মৎস্য প্রজাতি, স্বাদু পানির চিংড়ি প্রজাতি, সামুদ্রিক সৎস্য প্রজাতি ও সামুদ্রিক চিংড়ি প্রজাতির সংখ্যায় কোন পরিবর্তন না আসলেও স্বাদু পানির মাছের প্রজাতির সংখ্যা ১.৯২% বেড়ে হযেছে ২৬৫টি যদিও এই বৃদ্ধির সপক্ষে আর কোন তথ্যসূত্র না পাওয়ায় সংশয় থেকেই যায় (টেবিল-সতের)।

টেবিল-সতেরঃ মৎস্য প্রজাতি (সংখ্যায়)-

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

স্বাদু পানির মাছ**

২৬৫

টি

+ ১.৯২

বিদেশী মৎস্য প্রজাতি

১২

টি

স্বাদু পানির চিংড়ি প্রজাতি

২৪

টি
সামুদ্রিক সৎস্য প্রজাতি ৪৭৫ টি
সামুদ্রিক চিংড়ি প্রজাতি ৩৬ টি

মৎস্য সেক্টরের মধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনষ্টিটিউট ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের জনবল অপরিবর্তিত থাকলেও মৎস্য অধিদপ্তরের জনবল গত এক বছরে ৫.৮০% বেড়ে হয়েছে ৪,৭৮০ জন যার মধ্যে প্রথম শ্রেণীর জনবল বেড়েছে ২.৫৫ শতাংশ (টেবিল-আঠার)।

টেবিল-আঠারঃ মৎস্য সেক্টরের জনবল

বিবরণ

পরিমাণ

একক

বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)

মৎস্য অধিদপ্তর

প্রথম শ্রেণীর

৯২৬

জন

+ ২.৫৫

মোট

৪,৭৮০

জন

+ ৫.৮০

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনষ্টিটিউট

প্রথম শ্রেণীর

৭৭ জন

মোট

২৪৬ জন

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন

প্রথম শ্রেণীর

৯৪ জন

মোট

৭৯১ জন

পুনশ্চঃ

  1. * এই খাতে ২০০৯ সালে শুধু “জাল” উল্লেখ থাকলেও এবছর “জাল ও বড়শী” উল্লেখ করা হয়েছে।
  2. ** অন্যান্য তথ্যসূত্রে স্বাদুপানির মৎস্য প্রজাতি ২৬০ টি উল্লেখ করা হয়েছে। তাই উপাত্তটি নিয়ে সংশয় রয়েছে।
  3. “বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)” বলতে বাৎসরিক হ্রাস বা বৃদ্ধির শতকরা হার বোঝানো হয়েছে। এই কলামে প্রদত্ত উপাত্তের সামনে + দিয়ে বাৎসরিক বৃদ্ধির হার, – দিয়ে বাৎসরিক হ্রাসের হার এবং শুধুমাত্র ০ বলতে অপরিবর্তশীল বোঝানো হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ

  • জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১০ সংকলন, ২০১০। মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়, ঢাকা, বাংলাদেশ। পৃষ্ঠা ১০২-১০৬।
  • জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০০৯ সংকলন, ২০০৯। মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়, ঢাকা, বাংলাদেশ। পৃষ্ঠা ১০৫-১০৯।

Visited 110 times, 1 visits today | Have any fisheries relevant question?

Visitors' Opinion

লেখক

প্রফেসর, ফিশারীজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী-৬২০৫, বাংলাদেশ। বিস্তারিত ...

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.