ক্যাটাগরি: অঙ্গসংস্থানবিদ্যা | মাৎস্য জীববিজ্ঞান

মাছ ও অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীর ত্বক: কাজ

ত্বক (Integument) বলতে প্রাণিদেহের সবচেয়ে বাহিরের দিকে অবস্থিত প্রাকৃতিক আবরণকে বোঝায়। যেমন- চামড়া (Skin), খোলক (Shell), ক্যারাপেজ (Carapace), কিউটিকল (Cuticle) ইত্যাদি। ত্বক প্রাণিদেহের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পরিবেশের মধ্যস্থলে অবস্থান করে প্রাণীকে বহিঃপরিবেশের নানাবিধ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে থাকে। মাছ ও অন্যান্য মেরুদণ্ডীদের ত্বক হিসেবে চামড়া (Skin) বর্তমান যা এপিডার্মিস (Epidermis) ও ডার্মিস (Dermis) নামক প্রধান দুটি স্তর নিয়ে গঠিত। মেরুদণ্ডীদের চামড়া তথা ত্বকে এপিডার্মিস বা ডার্মিস স্তর থেকে উদ্ভূত নানা ধরনের উপাঙ্গ বা অঙ্গ দেখতে পাওয়া যায়। যেমন- আঁইশ (Scale), নখ (Nail), ক্ষুর (Hoof), শিং (Horn), পালক (Feather), লোম (Hair), গ্রন্থি (Gland) ইত্যাদি। মেরুদণ্ডীদের ত্বক ও ত্বকোদ্ভূত অঙ্গাদি সম্মিলিতভাবে ত্বকতন্ত্র (Integumentary System) গঠন করে।

 

ত্বকের কাজ:

ত্বকের নানাবিধ কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বহিঃস্থ ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষা করা, চলন, প্রয়োজনীয় তরল নিঃসরণ, খাদ্য সঞ্চয়, অন্তঃকঙ্কাল গঠন, দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, অনুভূতি গ্রহণ, অপত্য লালন-পালনে সহায়তা প্রদান,  শ্বসন, রেচন,  ইত্যাদি। নিচে গুরুত্বপূর্ণ সকল কাজের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হল।

 

বহিঃস্থ ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষা

  • দেহের বহিস্থ চাপ, তাপ, আঘাত, ঘর্ষণ, ক্ষতিকর গ্যাসীয় ও তরল পদার্থের ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষা করে।
  • দেহাভ্যন্তরে রোগ-জীবাণু (যেমন- ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি) ও ধুলোবালি প্রবেশে বাঁধা দান করে।
  • খাদ্য সংগ্রহ ও জীবন রক্ষায় আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার অঙ্গ হিসেবে নখ, নখর, ক্ষুর, শিং, পালক, লোম ইত্যাদি ত্বকোদ্ভূত অঙ্গাদি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
  • আঁইশ, অস্থিময় প্লেট, চর্বি, পালক, লোম ইত্যাদি অঙ্গাদি একদিকে যেমন বহিঃআঘাতের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে অন্যদিকে তেমনই দেহস্থ আর্দ্রতা হারানো থেকে রক্ষা করে।
  • ত্বকে উপস্থিত রঞ্জক পদার্থ সূর্য্যির ক্ষতিকর রশ্মির (যেমন-অতিবেগুনী রশ্মি) ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষ করে।

 

চলন (Locomotion)

  • ত্বকোদ্ভূত অঙ্গাদি চলনে নানাভাবে সহায়তা করে যেমন-
  • মাছের পাখনা (Fin) সাঁতার কাটায় অংশ নেয়।
  • ব্যাঙ, কচ্ছপ, জলচর পাখী ও অস্থায়ী জলজ স্তন্যপায়ীদের লিপ্তপদ (Web-feet) পানিতে সাঁতার কাটা ও চলাচলে সহায়তা করে।
  • উভচরের আঠালো পদ (Adhesive), পাখি ও উড়ুক্কু স্তন্যপায়ীর নখর (Claw) ইত্যাদি কোন গাছ বা এ জাতীয় অবলম্বনে আরোহণ করতে ব্যবহৃত হয়।
  • পাখির ডানার ও পুচ্ছের পালক; বাদুড়, উড়ুক্কু টিকটিকি ও কাঠবিড়ালির প্যাটাজিয়া (Patagia) এদেরকে উড়তে সহায়তা করে।

 

ত্বকীয় গ্রন্থির নিঃসরণর (Secretion of glands)

  • মাছ এবং উভচরের ত্বকীয় শ্লেষ্মা গ্রন্থি (Mucous gland) নিঃসৃত নিঃসরণ ত্বককে আর্দ্র ও পিচ্ছিল রাখে।
  • বিষ গ্রন্থি (Poison gland) নিঃসৃত বিষাক্ত ও তিক্ত নিঃসরণ শত্রু প্রাণীকে দূরে রাখতে এবং আক্রমণরত প্রাণীকে প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়।
  • পাখির ইউরোফাইজিয়াল গ্রন্থি (Urophygial gland) নিঃসৃত নিঃসরণ এর পালককে আকর্ষণীয় ও সুসজ্জিত রাখতে সহায়তা করে।
  • স্তন্যপায়ীদের তৈল গ্রন্থি (Sebaceous gland) নিঃসৃত তৈল ত্বক ও লোমকে পিচ্ছিল রাখে।
  • স্তন্য গ্রন্থি (Mammary gland) উৎপাদিত দুধ নবজাতকের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে থাকে।
  • গন্ধ গ্রন্থি (Scent gland) নিঃসৃত গন্ধ বিপরীত লিঙ্গের প্রাণীকে আকৃষ্ট করার মাধ্যমে সফল প্রজনন সম্পন্ন করে যা বংশের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।
  • অশ্রু গ্রন্থি (Lacrhymal/Lacrimal gland) নিঃসৃত অশ্রু স্তন্যপায়ীদের চোখের সম্মুখস্থ স্বচ্ছ ও আর্দ্র আবরণকে (Conjunctiva)  পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে।
  • বহিঃকর্ণের নালীর ত্বকে উপস্থিত মোম গ্রন্থি (Wax gland) কর্তৃক নিঃসৃত মোম জাতীয় পদার্থ ধুলাবালি প্রতিরোধ করে, এমন কি পতঙ্গ প্রবেশে বাঁধা প্রদান করে।
  • চতুষ্পদী প্রাণীদের ত্বকে উপস্থিত নাসিকা গ্রন্থি (Nasal gland) তাদের নাককে (Nostril) পানি মুক্ত ও শুষ্ক রাখে।

 

ডার্মাল অন্তঃকঙ্কাল (Dermal Endoskeleton)

  • স্টার্জন (Sturgeon) মাছ, কুমির, কচ্ছপ ইত্যাদি প্রাণীর বহিঃআবরণ অস্থিময় ডার্মাল বর্মে (Bony dermal armour) পরিণত হয় যা তাদের অন্তঃস্থ কোমল অঙ্গকে রক্ষা করে।
  • সাপজাতীয় প্রাণীদের মস্তকের উপরিস্থ অস্থিময় ডার্মাল ঢাল (Shield) মস্তিষ্ক ও অনুভূতি অঙ্গকে (Sense organ) রক্ষা করে।
  • এছাড়াও ত্বক দাঁতের অংশবিশেষও গঠন করে।

 

খাদ্য সঞ্চয়

  • পানি, শর্করা, ভিটামিন-ডি ও চর্বি সঞ্চয় করে রাখে।
  • অতিবেগুনী রশ্মির উপস্থিতিতে স্তন্যপায়ীদের ত্বকে উপস্থিত তৈলগ্রন্থি (Sebaceous gland) নিঃসৃত তৈল (যা সিবাম (Sebum) নামে পরিচিত) থেকে ভিটামিন-ডি সংশ্লেষ হয়।
  • তিমি ও সিলের (Seal) ত্বকের নিম্নস্থ পুরু চর্বিস্তর (Blubber) মূলত চর্বি আকারে সঞ্চিত খাদ্য। এই চর্বিস্তর জলজ প্রাণীদেহের তাপ হারাতে বাঁধা দেয়। অভিপ্রয়াণ ও শীতনিদ্রার সময় প্রাণীর শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম (ন্যূনতম) চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।

 

দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ:

  • উষ্ণরক্ত বিশিষ্ট স্তন্যপায়ীদের পশম (Fur), পাখীর পালক, সরীসৃপের আঁইশ ইত্যাদি ত্বকোদ্ভূত অঙ্গাদি শীতল পরিবেশে দেহস্থ তাপ হারাতে বাঁধা দেয়ার মাধ্যমে তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে।
  • স্তন্যপায়ীদের ঘর্মগ্রন্থি (Sweat gland) নিঃসৃত ঘর্ম গ্রীষ্মকালে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে দেহকে ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে।
  • গ্রীষ্মকালে উষ্ণরক্ত বিশিষ্ট প্রাণীদের ত্বকের ডার্মিসে অবস্থিত রক্ত নালিকা প্রসারিত হয়ে ত্বককে রেডিয়েটারের (Radiator) মত কাজ করায় যা দেহস্থ তাপ অপসারণ করার মাধ্যমে দেহকে শীতল করে। অন্যদিকে শীতকালে উল্লেখিত নালিকা সঙ্কুচিত হয়ে দেহস্থ তাপ সংরক্ষণ করার মাধ্যমে দেহকে উষ্ণ রাখে।

 

শ্বসনে অংশগ্রহণ

  • অনেক বায়ুশ্বাসী মাছ (Airbreating fish) এবং উভচর তাদের অধিক রক্তনালিকা সমৃদ্ধ ত্বকের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ সক্ষম যা তাদেরকে গ্রীষ্মনিদ্রা ও শীতনিদ্রা এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে বাড়তি সুবিধা প্রদান করে।

 

রেচনে অংশগ্রহণ

  • স্তন্যপায়ীদের ঘর্মগ্রন্থি (Sweat gland) দেহস্থ অতিরিক্ত পানি, লবণ ও ইউরিয়া অপসারণ করে।
  • অনেক সামুদ্রিক মাছে ফুলকায় ক্লোরাইড (Chloride) নিঃসরণকারী কোষ উপস্থিত।

 

অপত্য লালন-পালনে ভূমিকা রাখা:

  • ঘোড়ামাছ (Hippocampus), কেঙ্গারু (Kangaroo) ইত্যাদি প্রাণীদের উদর অঞ্চলের ত্বক ভাঁজ হয়ে শাবক-থলি গঠন করে যেখানে জন্মানোর পর থেকে স্বাবলম্বী হবার পূর্ব পর্যন্ত অপত্যরা অবস্থান করে।
  • অনেক উভচরের ত্বক ভাঁজ হয়ে ডিম্ব-থলি গঠন করে যা তাদের ডিমকে ফুটে বাচ্চা বের হরার পূর্ব পর্যন্ত রক্ষা করে থাকে।

 

অনুভূতি অঙ্গ হিসেব ভূমিকা পালন

  • ত্বকে উপস্থিত স্নায়ুকোষের শেষ প্রান্ত ও অন্যান্য অনুভূতি অঙ্গ স্পর্শ (Touch), ব্যথা (Pain) এবং  চাপ (Pressure), আর্দ্রতা (Moisture), তাপমাত্রা (Temperature) ও রাসায়নিক পদার্থের (Chemicals) পরিবর্তন সনাক্ত করতে সক্ষম।
  • এই সক্ষমতা তাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য কারণ এ জাতীয় অনুভূতি সনাক্তকরণের অক্ষমতা প্রাণীদের অনাহারে অথবা অন্যের খাবারে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে ধ্বংসের কারণ হয়ে দেখা দেয়।

 

ত্বকে চিত্তাকর্ষক এবং ও আত্মরক্ষাকারী বর্ণ প্রদানকারী জৈব রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতি

ত্বকে বিভিন্ন ধরণের জৈব রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতি প্রাণীকে বর্ণিল করে তোলে। এই বর্ণময়তা প্রাণীকে প্রধানত প্রজনন ঋতুতে চিত্তাকর্ষক করে তোলে। এছাড়াও অনেক বর্ণময়তা তাদের আত্মরক্ষার নিজস্ব কৌশল হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

  • চিত্তাকর্ষক বর্ণ
    • প্রজনন ঋতুতে পুঁটি, খলিশা বা ইলিশের পুরুষ সদস্য, লম্বা ও বর্ণিল পুচ্ছপাখনার পুরুষ ময়ূর, উজ্জ্বল বর্ণের ত্বক বিশিষ্ট পুরুষ হরিণ ইত্যাদি প্রাণীর ত্বকে উপস্থিত জৈব রঞ্জক পদার্থ তাদেরকে তাদের স্ত্রী লিঙ্গের সদস্যদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তোলে যা তাদের সফল প্রজনন তথা বংশ বিস্তার তথা রক্ষার জন্য অপরিহার্য একটি অনুষঙ্গ।
  • আত্মরক্ষাকারী বর্ণ
    • ক্যামোফ্লাজ (Camouflage) হচ্ছে এমনভাবে দেহকে বর্ণায়িত করা যাতে করে দেহটি তার পরিবেশের সাথে প্রায় মিশে যেতে পারে। এতে করে শত্রুপ্রাণী তাকে সহজে খুঁজে পায় না ফলে এটি শত্রু প্রাণীর নজর থেকে তাকে রক্ষা করে। যেমন- Trumpet fish
    • ডিসরাপটিভ বর্ণায়ন (Disruptive Coloration) হচ্ছে এক দল মাছের বা প্রাণীর দেহাবরণের বর্ণ এমনভাবে উপস্থাপন করা যাতে করে তার শত্রু প্রাণী সেই দল থেকে এক জন সদস্যকে সহজে আলাদা করতে সক্ষম না হয়। যেমন- The raccoon butterfly মাছের ক্ষেত্রে এমনটি দেখতে পাওয়া যায়।
    • অনুকৃতি (Mimicry) হচ্ছে এমনভাবে দেহকে বর্ণায়িত করা যাতে শত্রু প্রাণীকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব হয়। যেমন- The foureye butterflyfish এর লেজের দিকে চোখের আকৃতির দাগ (Eye-spot) দেখতে পাওয়া যায় যা তাদের শক্র প্রাণীকে মাছটির প্রকৃত সম্মুখপ্রান্ত কোনটি তা নির্ধারণে বিভ্রান্ত করে দেয়।
    • বিপদসংকেতমূলক বর্ণায়ন (Warning Coloration) মূলত শত্রু প্রাণীকে তার বিপদ সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়া যাতে করে শিকারি প্রাণীটি তাকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকে। যেমন সার্জন মাছে (surgeonfish) লেজের নিকটবর্তী কমলা রং তার তীক্ষ্ণ ও ধারালো স্পাইন (Spine) এর উপস্থিতিই প্রচার করে।

 

অন্যান্য কাজ:

  • দেহের আকৃতি প্রদান ও রক্ষণাবেক্ষণে ভূমিকা রাখে।
  • নতুন কোষ গঠনের মাধ্যমে ত্বকের ক্ষত নিরাময় করে।
  • দেহ থেকে পানি বের হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে দেহে পানির অভাবপূরণ করতে সাহায্য করে।
  • অনেক প্রাণীর ত্বক কেবলমাত্র স্বনির্বাচিত তৈল জাতীয় পদার্থ, আয়োডিন, উপকারী সূর্য-রশ্মি ইত্যাদি শোষণে সক্ষম।
  • অনেক মাছ ও ব্যাঙ এর লার্ভার ত্বক বিশেষ ধরণের এনজাইম উৎপাদন করতে সক্ষম।

 

ব্যাখ্যা: সকল চামড়াই (Skin) ত্বক (Integument) কিন্তু সকল ত্বকই চামড়া নয়

  • ত্বক (Integument) বলতে প্রাণিদেহের সবচেয়ে বাহিরের প্রাকৃতিক আবরণকে বোঝায়। যেমন চামড়া (Skin), খোলক (Shell), ক্যারাপেজ (Carapace), কিউটিকল (Cuticle)  ইত্যাদি। এটি প্রাণিদেহের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পরিবেশের মধ্যস্থলে অবস্থান করে প্রাণীকে বহিঃপরিবেশের নানাবিধ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে থাকে।
  • চামড়া (Skin) বলতে কেবলমাত্র মেরুদণ্ডীদের নরম বহিঃআবরণকে বোঝায় যা এপিডার্মিস ও ডার্মিস নামক প্রধান দুটি কোষীয় স্তর নিয়ে গঠিত। এই স্তরদ্বয় থেকে যেসব অঙ্গের উৎপত্তি হয়ে থাকে তাদের ত্বকোদ্ভূত অঙ্গ বলে যা চামড়াকে নানাভাবে সহায়তা করে।
  • খোলক (Shell), কিউটিকল (Cuticle)  বা ক্যারাপেজ (Carapace) ইত্যাদি অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের বহিঃকঙ্কাল যা শক্ত বহিঃআবরণ। সাধারণত খোলক ক্যালসিয়াম কার্বনেট এবং কিউটিকল (Cuticle) ও ক্যারাপেজ কাইটিন (Chitin) নির্মিত।
  • উল্লেখিত বিশ্লেষণ থেকে তাই বলা যায় সকল চামড়া (Skin) ই ত্বক (Integument) কিন্তু সকল ত্বকই চামড়া নয়। যেহেতু মেরুদণ্ডী প্রাণীদের অমেরুদণ্ডীদের মত খোলক (Shell), কিউটিকল (Cuticle), ক্যারাপেজ (Carapace) ইত্যাদি বহিঃকঙ্কাল অনুপস্থিত সেহেতু এদের চামড়া (Skin) বোঝাতে ত্বক (Integument) শব্দটির বহুল ব্যবহার লক্ষ করা যায়।

Visitors' Opinion

লেখক

প্রফেসর, ফিশারীজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী-৬২০৫, বাংলাদেশ। বিস্তারিত ...

Leave a Reply