ক্যাটাগরি: জীববিজ্ঞান | পূর্বপাঠ | প্রাণিবিজ্ঞান

ম্যালেরিয়া (Malaria) জ্বর ও পরজীবী (পর্ব-২)

ফিশারীজ কোন মৌলিক বিজ্ঞান নয় বরং এটি জীববিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের একটি সমন্বিত বিজ্ঞান যা মাছ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশিষ্ট জলজ প্রাণীদের জীবতত্ত্ব, চাষ, আবাসস্থল ব্যবস্থাপনা, আহরণ, প্রক্রিয়াজনকরণ ইত্যাদি বিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা করে। তাই ফিশারীজকে বুঝতে হলে অবশ্যই জীববিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়াদি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। সে উদ্দেশ্য পূরণকল্পে শুরু হল বিডিফিশ বাংলার পূর্বপাঠ অধ্যায়। এলেখার বিষয় ম্যালেরিয়া (Malaria) জ্বর ও পরজীবী। পর্ব-২ এপাতয় আর  পর্ব-১ এখানে।  সাথে রইল কুইজে অংশ নেয়ার সুযোগ

 

ম্যালেরিয়া হচ্ছে মানুষসহ অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদের এক ধরনের মারাত্মক জ্বররোগ যা Anopheles মশকীবাহিত প্রোটোজোয়া (Protozoa) পর্বের Plasmodium গণের পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট হয়ে থাকে। এজন্য Plasmodium গণের প্রজাতিরা ম্যালেরিয়ার পরজীবী বা ম্যালেরিয়ার জীবাণু হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এ পর্যন্ত ষাটের অধিক প্রজাতির ম্যালেরিয়া পরজীবী আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে মানুষের ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী প্রজাতির সংখ্যা চার যথা- Plasmodium vivax, Plasmodium falciparum, Plasmodium ovale এবং Plasmodium malariae । ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র সম্পন্ন করতে দুটি পোষক দেহের প্রয়োজন হয়ে থাকে যথা- স্ত্রী Anopheles মশা (এদের দেহে যৌনচক্র সম্পন্ন হয়ে থাকে বিধায় এরা নির্দিষ্ট বা মুখ্য পোষক) এবং মানুষসহ অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণী (এদের দেহে অযৌন চক্র সম্পন্ন হয়ে থাকে বিধায় এরা গৌণ বা মাধ্যমিক পোষক)। অর্থাৎ এরা যৌন ও অযৌন প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে তবে এদের জীবন ইতিহাসে যৌন ও অযৌনচক্র পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। এ ধরণের ঘটনাকে (যৌন ও অযৌনচক্র পর্যায়ক্রমে আবর্তন) জনুক্রম বলে।

ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের প্রধান পর্যায় সমূহ:

মশকীর দেহ সংঘটিত যৌন ও অযৌন চক্র
গ্যামোগনি (Gamogony) বা গ্যামেটোগনি (Gametogony) [ক্রপে (Crop) সংঘটিত যৌন জনন]
জননকোষ সৃষ্টি (Gametogenesis)
নিষেক (Fertilization)
স্পোরোগনি (Sporogony) [হিমোসিলে (Haemocoel) সংঘটিত অযৌন জনন]
মানব দেহ সংঘটিত অযৌন চক্র
যকৃত সাইজোগনি (Hepatic schizogony) [অযৌন জনন]
প্রি-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি (Pre-erythrocytic schizogony)
এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি (Exo-erythrocytic schizogony)
পোষ্ট-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি (Post-erythrocytic schizogony)
লোহিত রক্তকণিকা সাইজোগনি (Erythrocytic schizogony) [অযৌন জনন]

 

মশকীর দেহ সংঘটিত যৌন ও অযৌন চক্র-

গ্যামোগনি (Gamogony) বা গ্যামেটোগনি (Gametogony):
ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন দশার পরজীবী মশকীর ক্রপে (Crop) প্রবেশ করলেও কেবলমাত্র গ্যামেটোসাইট (Gametocyte) ছাড়া অন্যান্য দশাগুলি পরিপাক হয়ে যায়। গ্যামেটোসাইট যৌন প্রজননের মাধ্যমে উওসিস্টে (Oocyst) পরিণত হয়ে থাকে যা প্রধান দুটি ধাপে ঘটে থাকে।

  • জননকোষ সৃষ্টি (Gametogenesis):
    • গ্যামেটোসাইটের মধ্যে আকারে ক্ষুদ্রাকার মাইক্রোগ্যামেটোসাইট এক্সফ্ল্যাজেলেশন (Exflagellation) প্রক্রিয়ায় ৪-৮টি লম্বাটে পুং গ্যামেট (Microgamete) সৃষ্টি করে এবং নিষেকের উদ্দেশ্যে সাঁতার কাটতে থাকে।
    • অন্যদিকে বড় আকারের ম্যাক্রোগ্যামেটোসাইট স্ফীত হয়ে ওঠে এবং একটি স্ত্রী গ্যামেট (Macrogamete) ও একটি পোলার বডি (Polar body) সৃষ্টি করে (পোলার বডি অল্প সময়ের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যায়)। স্ত্রী গ্যামেট এর এক পাশে নিষেকে লক্ষে স্ফীত হয়ে কোন (Cone) গঠিত হয়।
  • নিষেক (Fertilization):
    • সাঁতার কেটে একাধিক পুং গ্যামেট একটি মাত্র স্ত্রী গ্যামেটের সন্নিকটে জমা হলেও একটিমাত্র পুং গ্যামেট স্ত্রী গ্যামেটের কোন (Cone) সংলগ্ন হতে পারে এবং পরবর্তীতে ভেতরে প্রবেশ করে।
    • উভয়ের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম একীভূত হয়ে নিষেক সম্পন্ন হয়। পরে কোনটি অদৃশ্য হয়ে যায় এবং স্ত্রী গ্যামেট টি জাইগোটে (Zygote) পরিণত হয়। জাইগোট ডিপ্লয়েট (Diploid) সংখ্যক ক্রোমোজোম বহন করে।
    • রক্ত শোষণের ১২-১৪ ঘণ্টা পরে নিশ্চল ও গোল জাইগোট টি লম্বাটে ও সচল হয়ে উওকিনেট (Ookinete) এ পরিণত হয় এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ক্রপের অন্তঃপ্রাচীর ভেদ করে বহিঃপ্রাচীরে প্রবেশ করে।
    • চল্লিশ ঘণ্টার মধ্যেই উওকিনেট ক্রপের প্রাচীরের কলা নিঃসৃত রসে সিস্টে (Cyst) আবদ্ধ হয়ে গোলাকার হয়ে থাকে যাকে উওসিস্ট (Oocyst) বলে।
    • উওসিস্টের ভেতরে বড় গহ্বর সৃষ্টি হয় এবং নিউক্লিয়াস বিভক্ত হয়ে গহ্বরের চারপাশে অবস্থান করে। আকারে ৪-৫ গুণ বড় হয়ে ১০-২০ দিন সময়ে একটি উওসিস্ট পরিণত হয়। ক্রপের প্রাচীরে ৫০-৫০০টি পরিণত উওসিস্ট থাকতে পারে।

স্পোরোগনি (Sporogony):

  • এ পর্যায়ে একটি পরিণত উওসিস্ট থেকে অযৌন প্রজননের মাধ্যমে স্পোরোজয়েট (Sporozoite) উৎপন্ন হয়ে থাকে।
  • পরিণত উওসিস্ট প্রথমে মায়োসিস (Meiosis) এবং পরে মাইটোসিস (Mitosis) কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বহুকোষী উওসিষ্টে পরিণত হয়।
  • বহুকোষী উওসিষ্টের প্রতিটি নিউক্লিয়াস সাইটোপ্লাজম বেষ্টিত হয়ে স্পোরোজয়েটে পরিণত হয় যা হ্যাপ্লয়েড (haploid) সংখ্যক ক্রোমোজোমবাহী (Plasmodium vivax এ n = ২)।
  • স্পোরোজয়েট পরিণত হলে উওসিস্টের প্রাচীর ভেঙ্গে বের হয়ে হিমোসিলে মুক্ত হয়। একটি পরিণত উওসিস্ট থেকে দশ হাজার স্পোরোজয়েট মুক্ত হতে পারে।
  • পরিণত স্পোরোজয়েট অবশেষে লালাগ্রন্থিতে জমা হতে থাকে। একটি লালাগ্রন্থিতে ২ লক্ষ স্পোরোজয়েট থাকতে পারে।
  • লালাগ্রন্থি থেকে স্পোরোজয়েট লালানালীতে এসে পৌঁছে এবং মানুষকে দংশনের সময় মানবদেহে প্রবেশ করে।

মশকীরদেহে ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র:

 

মানব দেহ সংঘটিত অযৌন চক্র:

যকৃত সাইজোগনি (Hepatic schizogony):
স্পোরোজয়েট মশকী কর্তৃক মানবদেহের রক্তধারায় প্রবেশ করে যকৃতে পৌঁছে এবং বহুবিভাজন ধরণের অযৌন জনন প্রক্রিয়ায় সাধারণত মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েটে (Meta-cryptomerozoite) পরিণত হয়। এ প্রক্রিয়ার তিনটি দশা দেখতে পাওয়া যায়।

  • প্রি-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি (Pre-erythrocytic schizogony):
    • স্পোরোজয়েট যকৃতে পৌঁছে যাওয়ার পর নিম্নলিখিত ধাপের মাধ্যমে ক্রিপ্টোমেরোজয়েটে পরিণত হয়-
    • স্পোরোজয়েট (Sporozoite): সঞ্চালনক্ষম, অতিক্ষুদ্র (১৪µ লম্বা, ১µ প্রস্থ), সামান্য বাঁকানো, উভয়প্রান্ত সূঁচালো ও স্থিতিস্থাপক পর্দায় আবৃত স্পোরোজয়েট রক্তরসের মাধ্যমে যকৃতের প্যারেনকাইমা (Parenchyma) কোষে প্রবেশ করে এবং বৃদ্ধি প্রাপ্ত হতে থাকে।
    • ক্রিপ্টোজয়েট (Ceyptozoite): যকৃতকোষ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে স্পোরোজয়েটগুলো গোলাকার হয়ে থাকে যা ক্রিপ্টোজয়েট নামে পরিচিত।
    • সাইজন্ট (Schizont): ক্রিপ্টোজয়েটের নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজিত হয়ে অসংখ্য (প্রায় ১২০০) ক্ষুদ্রাকার নিউক্লিয়াস গঠন করে।
    • ক্রিপ্টোমেরোজয়েট (Cryptomerozoite): সাইজন্টের প্রতিটি নিউক্লিয়াসের চারপাশে সাইটোপ্লাজম জমা হয়ে নতুন কোষ গঠিত হয় যা ক্রিপ্টোমেরোজয়েট নামে পরিচিত। পরিণত ক্রিপ্টোমেরোজয়েট সাইজন্টের প্রাচীর ভেদ করে যকৃতের সাইনুসয়েডে (Sinusoid) মুক্ত হয়।
  • এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি (Exo-erythrocytic schizogony):
    • সাইনুসয়েডে মুক্ত হওয়া পরিণত ক্রিপ্টোমেরোজয়েট যকৃতের নতুন কোষ আক্রমণ করে এ দশায় প্রবেশ করে এবং নিম্নক্ত দুটি ধাপের মাধ্যমে মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েটে পরিণত হয়।
    • সাইজন্ট (Schizont): ক্রিপ্টোমেরোজয়েটের নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজিত হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্রাকার নিউক্লিয়াস গঠন করে। ক্রিপ্টোমেরোজয়েটের বহু নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট অবস্থাই সাইজন্ট।
    • মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েটে (Meta-cryptomerozoite): সাইজন্টের প্রতিটি নিউক্লিয়াসের চারপাশে সাইটোপ্লাজম জমা হয়ে নতুন কোষ গঠিত হয় যা মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েট নামে পরিচিত। আকার অনুসারে এরা দুধরণের যথা- ক্ষুদ্র আকৃতির মাইক্রো মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েট এবং বড় আকারের ম্যাক্রো মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েট। বড় গুলো আক্রান্ত যকৃৎ কোষ ছেড়ে নতুন কোষে প্রবেশ করে এবং এ চক্রের পুনরাবৃত্তি চলতেই থাকে। স্পোরোজয়েট থেকে মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েটে পৌঁছাতে এদের ৭-১০ দিন সময় লাগে এবং মেরোজয়েটগুলো ম্যালেরিয়ার কোন রকম লক্ষণ প্রকাশ ছাড়াই বছরের পর বছর যকৃতে সাইজোগনি চালিয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে ক্ষুদ্রাকার মাইক্রো মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েট রক্তস্রোতে প্রবেশ করে তরুণ লোহিত রক্ত কণিকা আক্রমণ করে।

পোষ্ট-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি (Post-erythrocytic schizogony):
মাইক্রো মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েট তরুণ লোহিত রক্ত কণিকা আক্রমণ করে সেখানে বারবার সাইজোগনি চালিয়ে যায়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় বারবার সাইজোগনি চালিয়ে যাওয়া পরজীবী নতুন করে রক্ত কণিকা আক্রমণ না করে রক্তস্রোতের মাধ্যমে যকৃত কোষে ফিরে আসে এবং সাইজোগনি চালাতে থাকে যা পোষ্ট-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি (Post-erythrocytic schizogony) নামে পরিচিত।

  • লোহিত রক্তকণিকা সাইজোগনি (Erythrocytic schizogony):
    • মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েট রক্তস্রোতে প্রবেশ করে তরুণ লোহিত রক্ত কণিকা আক্রমণ করে বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অযৌন জনন প্রক্রিয়া গ্যামেটোসাইটে পরিণত হয় যা লোহিত রক্তকণিকা সাইজোগনি (Erythrocytic schizogony) নামে পরিচিত। পুরো প্রক্রিয়াটি নিম্নোক্ত কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে-
    • ট্রফোজয়েট (Trophozoite): মেটা-ক্রিপ্টোমেরোজয়েট রক্তস্রোতে প্রবেশ করে তরুণ লোহিত রক্ত কণিকায় প্রবেশের পর খাদ্যগ্রহণ করে স্ফীত ও গোলাকার হয়ে ট্রফোজয়েটে পরিণত হয়।
    • সিগনেট রিং (Signet ring): ট্রফোজয়েটের অভ্যন্তরে একটি গহ্বর সৃষ্টি হয়ে সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াসকে পরিধির দিকে সরিয়ে দেয় যা দেখতে আংটির মত দেখায় যা সিগনেট রিং নামে পরিচিত।
    • অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েট (Amoeboid trophozoite): সিগনেট রিং বৃদ্ধির সাথে সাথে অভ্যন্তরস্থ গহ্বরটি অদৃশ্য হয়ে যায় এবং দেখতে অ্যামিবার মত হয় বিধায় একে অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েট বলে। এতে সাফনারের কণা (Schuffner’s dots) দেখতে পাওয়া যায়।
    • সাইজন্ট (Schizont): অ্যামিবয়েড ট্রফোজয়েটের ক্ষণপদ বিলীন হয়ে গোল বা লম্বাকার সাইজন্টে পরিণত হয়। এর সাইটোপ্লাজমে হিমোজয়েন (Haemozoin) নামক বর্জ্য পদার্থ জামা হয়ে থাকে। পরিণত সাইজন্ট লোহিত রক্তকণিকার প্রায় সম্পূর্ণটাই দখল করে ফেলে।
    • মেরোজয়েট (Merozoite): পরিণত সাইজন্ট বহুবিভাজনের মাধ্যমে ১২-১৮টি গোল বা ডিম্বাকার মেরোজয়েট সৃষ্টি করে। এগুলো ফুলের পাপড়ির মত দুই স্তরে সজ্জিত হয়ে রোজেট (Rosette) গঠন করে। পরিণত মেরোজয়েট রক্ত কণিকার আবরণ ভেদ করে রক্তরসে প্রবেশ করে। এর মধ্যে অনেকে নতুন লোহিত রক্ত কণিকা আক্রমণ করে, অনেকে গ্যামেটোসাইটে পরিণত হয়।
    • গ্যামেটোসাইট (Gametocyte): কয়েকবার সাইজোগনি চলার পর মেরোজয়েট গ্যামেটোসাইটে পরিণত হয়। আকারে ক্ষুদ্র কিন্তু বৃহৎ নিউক্লিয়াসবাহী পুরুষ বা মাইক্রোগ্যামেটোসাইট এবং আকারে বড় কিন্তু ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াসবাহী স্ত্রী বা ম্যাক্রোগ্যামেটোসাইট। মানুষের রক্তে গ্যামেটোসাইট ৭ দিনের মত বাঁচে। এসময়েই মধ্যেই এদের অনেকে মশকী কর্তৃক রক্ত গ্রহণের সময় মশকীর দেহে প্রবেশ করে।

মানবদেহে ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র:

 

 

কুইজে অংশ নিতে লিঙ্কটি অনুসরণ করুন

Visitors' Opinion

লেখক

প্রাণিবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। বিস্তারিত

Leave a Reply