ক্যাটাগরি: মাৎস্য পরিসংখ্যান | মাৎস্য সম্পদ

বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ পরিসংখ্যানঃ ২০১০-২০১১

বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তর বিগত বছরগুলোর মত ২০১২ সালেও ২০১০-২০১১ অর্থ বছরের মৎস্য সম্পদের বছরওয়ারি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সেই পরিসংখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে বিশ্লেষণসহ উপস্থাপন করা হল। মূলত ২০১০-২০১১ বছরের মৎস্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্যাটাগরি ভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত এবং এর বাৎসরিক বৃদ্ধি বা হ্রাসের শতকরা হার এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক মৎস্যের জলায়তন:
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মৎস্যের জলায়তনের মধ্যে উন্মুক্ত জলাশয়ের জলায়তনের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে বদ্ধ জলাশয়ের আয়তন (+৮.১২%)। পুকুর, চিংড়ি খামার, আধাবদ্ধ জলাশয়ের জলায়তন বাড়লেও কমেছে বাঁওড়ের (অক্সবো লেক) জলায়তনের পরিমাণ (-৩৫.৮৬%) [টেবিল- এক]।  অপরিবর্তিত রয়েছে সামুদ্রিক মৎস্যের জলায়তন [টেবিল- দুই]।

টেবিল-একঃ অভ্যন্তরীণ মৎস্যের জলায়তন

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
বদ্ধ জলাশয়
পুকুর ৩,৭১,৩০৯ হেক্টর + ৫.৯১
অক্সবো লেক (বাঁওড়) ৫,৪৮৮ হেক্টর – ৩৫.৮৬
আধা-বদ্ধ জলাশয় ২৫,৪৩৫ হেক্টর + ১৩.৬৪
চিংড়ি খামার ২,৭৬,৪৯২ হেক্টর + ১২.৩০
মোট ৬,৭৮,৭২৪ হেক্টর + ৮.১২
উন্মুক্ত জলাশয়
নদী ও মোহনা (সুন্দরবনসহ) ১০,৩১,৫৬৩ হেক্টর
বিল ১,১৪,১৬১ হেক্টর
কাপ্তাই লেক ৬৮,৮০০ হেক্টর
প্লাবনভূমি ২৮,১০,৪১০ হেক্টর
মোট ৪০,২৪,৯৩৪ হেক্টর
সর্বোমোট ৪৭,০৩,৬৫৮ হেক্টর +১.১০

 

টেবিল-দুইঃ সামুদ্রিক মৎস্যের জলায়তন

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
সমুদ্রসীমা ২,৬৪০ বর্গ নটিক্যাল মাইল
একান্ত অর্থনৈতিক এলাকা ৪১,০৪০ বর্গ নটিক্যাল মাইল
মহীসোপান এলাকা ২৪,৮০০ বর্গ নটিক্যাল মাইল
উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তৃতি ৭১০ কিলোমিটার

 

জেলে ও মৎস্যচাষির সংখ্যা:
গতবছর মৎস্যচাষির সংখ্যা ৩৭.৩৪ শতাংশ বাড়লেও  এবছর মৎস্য চাষি, জেলে ও চিংড়ি চাষির সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে [টেবিল- তিন ও চার]।

টেবিল-তিনঃ জেলের সংখ্যা

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের জেলে ৭.৭০ লক্ষ জন
সামুদ্রিক জেলে ৫.১০ লক্ষ জন
মোট ১২.৮০ লক্ষ জন

 

টেবিল-চারঃ মৎস্য চাষির সংখ্যা

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
মৎস্য চাষি ৩০.৮০ লক্ষ জন
চিংড়ি চাষি ১১.৫০ লক্ষ জন
মোট ৪২.৩০ লক্ষ জন

 

মোট মৎস্য উৎপাদন:
টেবিল-পাঁচ, ছয় ও সাত অনুসারে এবছর দেশের মোট মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ৩০,৬১,৬৮৭ মে. টন যা গত বছরের চেয়ে ৫.৬ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে অভ্যন্তরীন জলাশয়ের মৎস্য উৎপাদন বেড়েছে ৫.৬ শতাংশ এবং সামুদ্রিক উৎস্য হতে উৎপাদন বেড়েছে ৫.৬২%। বদ্ধ জলাশয় (চাষকৃত) এবং আর্টিসেনাল (ইঞ্জিন চালিত নৌকা দ্বারা আহরিত) মৎস্য উৎপাদন বাড়লেও কমেছে উন্মুক্ত জলাশয় (আহরিত) ও ট্রলার দ্বারা আহরিত মৎস্যের উৎপাদন।

টেবিল-পাঁচঃ মোট মৎস্য উৎপাদনঃ অভ্যন্তরীণ জলাশয় হতে-

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
বদ্ধ জলাশয় (চাষকৃত) ১৪,৬০,৭৬৯ মে. টন + ৮.০৫
উন্মুক্ত জলাশয় (আহরিত) ১০,৫৪,৫৮৫ মে. টন – ২.৩৯
মোট ২৫,১৫,৩৫৪ মে. টন + ৫.৬০

 

টেবিল-ছয়ঃ মোট মৎস্য উৎপাদনঃ সামুদ্রিক জলাশয় হতে-

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
ট্রলার দ্বারা আহরিত ৪১,৬৬৫ মে. টন – ২১.৮৯
আর্টিসেনাল (ইঞ্জিন চালিত নৌকা দ্বারা আহরিত) ৫,০৪,৬৬৮ মে. টন + ৪.৪৬
মোট ৫,৪৬,৩৩৩ মে. টন + ৫.৬২

 

টেবিল-সাতঃ মোট মৎস্য উৎপাদন

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
অভ্যন্তরীণ জলাশয়
২৫,১৫,৩৫৪ মে. টন + ৫.৬০
সামুদ্রিক জলাশয় ৫,৪৬,৩৩৩ মে. টন + ৫.৬২
মোট ৩০,৬১,৬৮৭ মে. টন + ৫.৬০

 

গড় মৎস্য উৎপাদন:
হেক্টর প্রতি চাষকৃত মাছের গড় উৎপাদন চিংড়ি খামারে (+৫.৬৯%) বাড়লেও কমেছে পুকুরে (-২৬.৬৮%), আধাবদ্ধ জলাশয় (-৩.৯১%) ও বাঁওড়ে (-২২.৪৮%)। হেক্টর প্রতি আহরিত মাছের গড় উৎপাদন নদী ও মোহনায় কমলেও (-৬.১১%) বেড়েছে অন্যান্য উৎস্যে তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সুন্দরবনে (+১৭৩.৯১%) [টেবিল-আট]।

টেবিল-আটঃ গড় মৎস্য উৎপাদন (অভ্যন্তরীণ জলাশয় হতে)

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
বদ্ধ জলাশয় (চাষকৃত)
পুকুর ২,৩৮৫ কেজি/হেক্টর – ২৬.৬৮
আধাবদ্ধ জলাশয় (প্লাবনভূমি) ২,০১৪ কেজি/হেক্টর – ৩.৯১
বাঁওড় ৮৮৬ কেজি/হেক্টর – ২২.৪৮
চিংড়ি খামার ৬৬৯ কেজি/হেক্টর + ৫.৬৯
উন্মুক্ত জলাশয় (আহরিত)
নদী ও মোহনা ১৬৯ কেজি/হেক্টর – ৬.১১
সুন্দরবন ১২৬ কেজি/হেক্টর + ১৭৩.৯১
বিল ৭১৪ কেজি/হেক্টর + ১৬.১০
কাপ্তাই লেক ১৩১ কেজি/হেক্টর + ২৭.১৮
প্লাবনভূমি ২৮৪ কেজি/হেক্টর + ১.০৭

 

প্রজাতি ভিত্তিক মৎস্য উৎপাদন:
প্রজাতি ভিত্তিক মৎস্য উৎপাদন ইলিশের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কমলেও (-০.২২%) বেড়েছে সামুদ্রিক উৎপাদন (+১৩.৪৭%)। চাষকৃত ও আহরিত চিংড়ির উৎপাদন বেড়েছে। মোট উৎপাদিত চিংড়ির ৫২.০৫ ভাগই চাষকৃত যা গত বছরের চেয়ে ১০.৫৮ শতাংশ বেশী। [বিস্তারিত টেবিল-নয়]

টেবিল-নয়ঃ প্রজাতি ভিত্তিক মৎস্য উৎপাদন

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
ইলিশ
অভ্যন্তরীণ ১,১৪,৫২০ মে. টন – ০.২২
সামুদ্রিক ২,২৫,৩২৫ মে. টন + ১৩.৪৭
মোট ৩,৩৯,৮৪৫ মে. টন + ৮.৪৬
চিংড়ি
চাষকৃত ১,২৪,৬৪৮ মে. টন + ৪১.৬৯
আহরিত (অভ্যন্তরীণ + সামুদ্রিক) ১,১৪,৮১২ মে. টন + ১৬.০৭
মোট ২,৩৯,৪৬০ মে. টন + ২৮.১৩
চাষকৃত চিংড়ির শতকরা হার ৫২.০৫ মে. টন + ১০.৫৮

 

মৎস্য ও মৎস্যজাত দ্রব্য রপ্তানি:
মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্টের সংখ্যায় গত বছর ১৭.৯০ শতাংশ বেড়ে ১৬২ টি হলেও এবছর তা অপরিবর্তিত রয়েছে। এর মধ্যে ইইউ অনুমোদিত প্লান্ট ৭৪টি। অন্যদিকে মৎস্য ও মৎস্যজাত দ্রব্যাদি রপ্তানির পরিমাণ ও মূল্য যতটা বেড়েছে ততটা বাড়েনি বৈদেশিক মুদ্রায় মৎস্য ও মৎস্যজাত দ্রব্যাদির অবদান । [টেবিল-দশ]

টেবিল-দশঃ মৎস্য ও মৎস্যজাত দ্রব্য রপ্তানি

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
পরিমাণ ৯৬,৪৬৮.৭০ মে. টন + ২৪.৩৪
মূল্য ৪,৬০৩.৮৩ কোটি টাকা + ৩৫.০৭
মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্ট ১৬২ টি
বৈদেশিক মুদ্রায় অবদান ২.৭৩ শতাংশ + ১.১১

 

জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান:
গত বছরের মত এবছরও জিএনপি-তে মাছের মূল্যের কোন পরিবর্তন হয় নি তবে অবদান বেড়েছে ১৮.৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে কৃষিখাতে অবদান গত বছর অপরিবর্তিত থাকলেও এবছর কমেছে ০.০৯ শতাংশ [টেবিল-এগার]।

টেবিল-এগারঃ জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
জিএনপি-তে মাছের মূল্য ১৯,৫৬৭.৯০ কোটি টাকা
জিডিপি-তে অবদান ৪.৪৩ শতাংশ + ১৮.৪৫
কৃষিখাতে অবদান ২২.২১ শতাংশ – ০.০৯

 

মাছ গ্রহণ, চাহিদা ও ঘাটতি:
জনপ্রতি মাছের বাৎসরিক চাহিদা, জনপ্রতি বাৎসরিক মাছ গ্রহণ, জনপ্রতি বাৎসরিক মাছের ঘাটতি ও বাৎসরিক মাছের চাহিদা অপরিবর্তিত থাকলেও প্রাণিজ আমিষ সরবরাহে মাছের অবদান বেড়েছে প্রায়  ৩.৪৫ শতাংশ। [বিস্তারিত টেবিল-বার]

টেবিল-বারঃ মাছ গ্রহণ, চাহিদা ও ঘাটতি

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
জনপ্রতি মাছের বাৎসরিক চাহিদা ২০.৪৪ কেজি
জনপ্রতি বাৎসরিক মাছ গ্রহণ ১৮.৯৪ কেজি
জনপ্রতি বাৎসরিক মাছের ঘাটতি ১.৫০ কেজি
বাৎসরিক মাছের চাহিদা ৩২.৭২ লক্ষ মে. টন
প্রাণিজ আমিষ সরবরাহে মাছের অবদান ৬০ (প্রায়) শতাংশ + ৩.৪৫ (প্রায়)

 

মৎস্য হ্যাচারি ও নার্সারির সংখ্যা এবং রেণু উৎপাদন ও সংগ্রহ:
দেশে মৎস্য হ্যাচারির সংখ্যা গত বছর ৮.২৭ শতাংশ কমলেও এবছর কমেছে ১.০৭ শতাংশ। তবে হ্যাচারিতে রেণু উৎপাদন বেড়েছে ৩৬.৮৪ শতাংশ। অন্যদিকে মৎস্য নার্সারির সংখ্যা বাড়লেও (+২১.৬৩%) নার্সারিতে পোনা মাছ উৎপাদন কমেছে (-১৪.৫৪%)। একই সাথে প্রাকৃতিক উৎস্য হতে রেণু সংগ্রহের পরিমাণ ৯৮.৩৭% বেড়ে হয়েছে ৪,৩৭০ কেজি‌। বিস্তারিত টেবিল-তের।

টেবিল-তেরঃ মৎস্য হ্যাচারি ও নার্সারির সংখ্যা এবং রেণু উৎপাদন ও সংগ্রহ

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
মৎস্য হ্যাচারির সংখ্যা ৯২১ টি – ১.০৭
হ্যাচারিতে রেণু উৎপাদন ৬,২৯,১৭৫.৫৩ কেজি + ৩৬.৮৪
মৎস্য নার্সারির সংখ্যা ১০,৮০২ টি + ২১.৬৩
নার্সারিতে পোনা মাছ উৎপাদন ৮২,০৩৮ লক্ষ টি – ১৪.৫৪
প্রাকৃতিক উৎস্য হতে রেণু সংগ্রহ ৪,৩৭০ কেজি + ৯৮.৩৭

 

চিংড়ি হ্যাচারির সংখ্যা এবং রেণু উৎপাদন ও সংগ্রহ:
বাগদা হ্যাচারির সংখ্যা সামান্য বাড়লেও (+৩.৪৫%) গলদা হ্যাচারির সংখ্যা বেড়েছে ৫০.৯৪ শতাংশ। হ্যাচারিতে বাগদা ও গলদার রেণু (পিএল) উৎপাদন বেড়েছে। প্রাকৃতিক উৎস্য থেকে চিংড়ির রেণু (পিএল) সংগ্রহের পরিমাণ ১০ শতাংশ কমেছে যা আশাপ্রদ খবর [টেবিল-চৌদ্দ]।

টেবিল-চৌদ্দঃ চিংড়ি হ্যাচারির সংখ্যা এবং রেণু উৎপাদন ও সংগ্রহ

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
বাগদা হ্যাচারির সংখ্যা ৬০ টি + ৩.৪৫
বাগদার রেণু (পিএল) উৎপাদন ৫৯,৫০০ লক্ষ টি + ১৬.৬৭
গলদা হ্যাচারি সংখ্যা ৮০ টি + ৫০.৯৪
গলদার রেণু (পিএল) উৎপাদন ১২,০০০ লক্ষ টি + ১১.১১
প্রাকৃতিক উৎস্য থেকে চিংড়ির রেণু (পিএল) সংগ্রহ ৯,০০০ লক্ষ টি – ১০.০০

 

সরকারী অবকাঠামো:
মৎস্য হ্যাচারি/মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা গত বছরের মত এবছরও বেড়েছে। একই সাথে হ্যাচারিতে বেণু উৎপাদন বেড়েছে ২৮.২০ শতাংশ। অন্যদিকে মৎস্য/চিংড়ি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি, বাগদা ও গলদা চিংড়ি হ্যাচারি, চিংড়ি প্রদর্শনী খামার, চিংড়ি আহরণ ও সেবা কেন্দ্র, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের (বিএফডিসি) সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে এবছরও।  তবে এবছর একটি নতুন মৎস্য ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র/উপকেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে একটি। [টেবিল-পনের]

টেবিল-পনেরঃ সরকারী অবকাঠামো (সংখ্যায়)

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
মৎস্য/চিংড়ি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ০৬ টি
মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি ০১ টি
মৎস্য হ্যাচারি/মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার ১২৪ টি + ৪.২০
হ্যাচারিতে বেণু উৎপাদন ৭,১৬৯ কেজি + ২৮.২০
বাগদা চিংড়ি হ্যাচারি ০২ টি
গলদা চিংড়ি হ্যাচারি ১৭ টি
মৎস্য ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউট ০১ টি
চিংড়ি প্রদর্শনী খামার ০২ টি
চিংড়ি আহরণ ও সেবা কেন্দ্র ২০ টি
মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (বিএফডিসি) ০৯ টি
মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র/উপকেন্দ্র ১০ টি + ১১.১১

 

সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ ইউনিট:
সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ ইউনিটের মধ্যে ট্রলারের সংখ্যা বাড়লেও (১১.৩৭%) কমেছে ইঞ্জিন চালিত নৌকা, ইঞ্জিন বিহীন নৌকা, সনাতনী নৌকা। তবে সবচেয়ে বেশি কমেছে জাল ও বড়শী (- ৬৪.২৪%)। [বিস্তারিত টেবিল-ষোল]।

টেবিল-ষোলঃ সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ ইউনিট (সংখ্যায়)

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
ট্রলার ১৮৬ টি + ১১.৩৮
ইঞ্জিন চালিত নৌকা ২১,০১৬ টি – ২১.৭৫
ইঞ্জিন বিহীন নৌকা ২২,১২০ টি – ৫.১৮
সনাতনী নৌকা ৪৩,১৩৬ টি – ১.৮৭
জাল ও বড়শী ৭৮,১৭২ টি – ৬৪.২৪

 

মৎস্য প্রজাতি:
স্বাদু পানির মাছ, বিদেশী মৎস্য প্রজাতি, স্বাদু পানির চিংড়ি প্রজাতি, সামুদ্রিক সৎস্য প্রজাতি, সামুদ্রিক চিংড়ি প্রজাতির সংখ্যা রয়েছে অপরিবর্তিত [টেবিল-সতের]।

টেবিল-সতেরঃ মৎস্য প্রজাতি (সংখ্যায়)-

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
স্বাদু পানির মাছ ২৬০ টি
বিদেশী মৎস্য প্রজাতি ১২ টি
স্বাদু পানির চিংড়ি প্রজাতি ২৪ টি
সামুদ্রিক সৎস্য প্রজাতি ৪৭৫ টি
সামুদ্রিক চিংড়ি প্রজাতি ৩৬ টি

 

মৎস্য অধিদপ্তরের জনবল:
মৎস্য অধিদপ্তরে জনবল এবছর বেড়েছে সামান্যই [টেবিল আঠার]।

টেবিল-আঠারঃ মৎস্য অধিদপ্তরে জনবল

বিবরণ পরিমাণ একক বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)
মৎস্য অধিদপ্তর
প্রথম শ্রেণী ৯৫০ জন + ২.৫৯
অন্যান্য ৩,৮৯৬ জন
মোট ৪,৮৪৬ জন + ১.৩৮

 

পুনশ্চঃ

  • “বৃদ্ধি বা হ্রাস (%)” বলতে বাৎসরিক হ্রাস বা বৃদ্ধির শতকরা হার বোঝানো হয়েছে। কোন আইটেম ১০০% বৃদ্ধি বা হ্রাস বলতে তা আগের বছরের চেয়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি বা হ্রাস পেয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
  • বৃদ্ধি বা হ্রাস (%) শিরোনামের কলামে প্রদত্ত উপাত্তের সামনে + দিয়ে বাৎসরিক বৃদ্ধির হার, – দিয়ে বাৎসরিক হ্রাসের হার এবং ০ বলতে অপরিবর্তশীল বোঝানো হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ

  • জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১২ সংকলন, ২০১২। মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়, ঢাকা, বাংলাদেশ। পৃষ্ঠা ১২৫-১৩১।
  • জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১১ সংকলন, ২০১১। মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়, ঢাকা, বাংলাদেশ। পৃষ্ঠা ১১৭-১২৪।

Visitors' Opinion

লেখক

প্রফেসর, ফিশারীজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী-৬২০৫, বাংলাদেশ। বিস্তারিত ...

Leave a Reply