ফটোফিচার: গলদা চিংড়ির উপাঙ্গ

গলদা চিংড়ি (Macrobrachium rosenbergii)’র সম্পূর্ণ দেহকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায় যথা- শিরোবক্ষ (cephalothorax) ও উদর (abdomen)। গলদা চিংড়ির মাথা ও বুক একসঙ্গে নিয়ে নাম দেওয়া হয়েছে শিরোবক্ষ। শিরোবক্ষের পশ্চাতে রয়েছে উদর। উদর ক্রমান্বয়ে সরু হয়ে লেজে (telson) শেষ হয়েছে। লেজের

লেখক পরিচিতি: বিমল চন্দ্র দাস

বিমল চন্দ্র দাস পিএইচডি গবেষক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সিস্টেম গবেষণার মাধ্যমে হাওড়ের জনজীবনের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন প্রকল্প বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। ইমেইল: bimal.das374@gmail.com তার সকল লেখা এখানে

হাওরে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন

উন্মুক্ত বা আবদ্ধ জলাশয়ে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ উপযোগী আকারের খাঁচা স্থাপন করে অধিক ঘনত্বে বাণিজ্যিকভাবে মাছ উৎপাদনের প্রযুক্তিই হল খাঁচায় মাছ চাষ। আমাদের দেশে সাম্প্রতিক সময়ে খাঁচায় মাছচাষ নতুন আঙ্গিকে শুরু হলেও খাঁচায় মাছ চাষের ইতিহাস অনেক পুরানো। খাঁচায় মাছচাষ শুরু

উভচরের মাতৃ-পিতৃ যত্ন

প্রতিকূল পরিবেশ এবং শিকারি ও ক্ষতিকর প্রাণীর হাত হতে রক্ষার উদ্দেশ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত ডিম ও বাচ্চার প্রতি মাতা-পিতা কর্তৃক যে বিশেষ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয় তাকে মাতৃ-পিতৃ যত্ন (Parental care) বলা হয়। উভচরসহ সকল প্রাণীদের মধ্যেই কমবেশি মাতৃ-পিতৃ

পুকুরে দেশী শিং-মাগুরের চাষ ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ

দেশী শিং মাগুর মাছ বড় জলাশয়ের পাশাপাশি যে কোন ছোট খাটো জলাশয়ে এমন কি বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় অবস্থিত গর্ত, ডোবা বা নালাতেও চাষ করা যায়। শিং-মাগুর মাছ নিশাচর। এরা রাতের বেলা খাদ্যগ্রহণ, চলাফেরা, এমনকি প্রজনন করতে পছন্দ করে। এ বিষয়সমূহ

হ্যাচারিতে দেশী শিং-মাগুর মাছের কৃত্রিম প্রজনন ব্যবস্থাপনা

মাছ চাষিরা পর্যাপ্ত পোনা না পাওয়ার কারণে দেশী শিং-মাগুর চাষে আগ্রহ হারাতে বসেছে অথচ পর্যাপ্ত পোনা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা থাকলে মাছ দুটি চাষ করে চাষিরা অধিক লাভবান হতে পারতো। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশের মৎস্য বিজ্ঞানীরা দেশী শিং-মাগুরের কৃত্রিম প্রজনন, পোনা উৎপাদন