ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য চাষ | স্বাদুপানি

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে গলদা চাষের সম্ভাবনা

সহলেখক: মুহাম্মদ জাকির হোসেন, এ্যাকুয়াকালচার ফর ইনকাম এন্ড নিউট্রিশন প্রকল্প, ওয়ার্ল্ডফিস-বাংলাদেশ, বরিশাল

মিঠা পানির গলদা (Macrobrachium rosenbergii)

মিঠা পানির গলদা (Macrobrachium rosenbergii)

ভূমিকা: বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদে মিঠা পানির গলদা (Macrobrachium rosenbergii) গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। বাগদার পাশাপাশি গলদাও রফতানি হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এর মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পাশাপাশি দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দরিদ্রতা দূরীকরণে গলদা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য চাষ | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

মিঠা পানির গলদা চিংড়ি, কাঁচা সোনার খনি

মিঠাপানিতে চাষকৃত গলদা চিংড়ি

মিঠাপানিতে চাষকৃত গলদা চিংড়ি

প্রাক কথন: মিঠাপানির গলদা চিংড়ি চাষ করে নোয়াখালীর জলাবদ্ধ জলাভূমিগুলো হয়ে উঠতে যাচ্ছে এক একটি কাঁচা সোনার খনি। ইতিমধ্যেই বৃহত্তর নোয়াখালীর পুকুর ও বদ্ধ জলাশয়গুলোতে গলদা চিংড়ি চাষ করে অভাবনীয় সফলতা পাওয়া গেছে। আশার সঞ্চার হয়েছে গরিব অসহায় চাষিদের। নোয়াখালীর প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর একর কৃষি জমিতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে কোন …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য চাষ | স্বাদুপানি

বিষ দিয়ে মাছ নিধন: মাছ চাষের অন্যতম ঝুকি

সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ বিভাগের গবেষকদের একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে- রাজশাহী জেলায় মাছ চাষের যেসব সমস্যা রয়েছে তার মধ্যে সমস্যার মাত্রার ক্রম অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- অর্থনৈতিক সমস্যা, পোনার সমস্যা, মৎস্য খাদ্য সমস্যা, মাছের অধিক মৃত্যুহার সমস্যা বিষ দিয়ে মাছ নিধন। এই বিষয়টিকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন উক্ত জেলার চার শতাংশ মাছচাষী [তথ্যসূত্র-১]।

মাত্র ৪ শতাংশ মাছচাষী বিষয়টিকে সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করায় আপাতদৃষ্টিতে সমস্যাটিকে বড় কোন সমস্যা নাও মনে হতে পারে। সামগ্রিক পর্যায়ে গড় ক্ষতির মাত্রা অনুধাবন করা না গেলেও ব্যক্তি পর্যায়ে এই ক্ষতির মাত্রা ভয়াবহ। …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য চাষ | স্বাদুপানি | হ্যাচারি

হ্যাচারিতে রেণু ও পিএল উৎপাদন: সফলতার অন্যতম প্রভাবক প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ

হ্যাচারিতে রেণু ও পিএল উৎপাদনের সফলতার প্রধান প্রধান প্রভাবক গুলো হচ্ছে- উন্নতমানের ব্রুড মাছ বা চিংড়ি, ব্রুড মাছের জন্য বিশেষ খাদ্য বা পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, সফল প্রণোদিত প্রজনন, রেনু বা পিএল এর জন্য যথাযথ খাদ্য তথা পুষ্টি ব্যবস্থাপনা। এছাড়াও রুই জাতীয় মাছের হ্যাচারিতে নিরবিচ্ছিন্ন প্রবাহমান পানির সরবরাহ এবং চিংড়ি হ্যাচারিতে নিরবিচ্ছিন্ন প্রবাহমান পানির সরবরাহের পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন্ন নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। যার জন্য প্রয়োজন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত ব্যবস্থাপনার।

রুই জাতীয় মাছের হ্যাচারিতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ অত্যাবশ্যক না হলেও চাহিদামতো বিদ্যুতের সরবরাহ একান্ত প্রয়োজনীয়। কারণ হ্যাচারিতে …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাছের খাবার | মাৎস্য চাষ | স্বাদুপানি

মাছ চাষে নতুন দিগন্ত – জাদুকরি প্রবায়োটিক্সের ব্যাবহার: আমরা কোথায়?

সহজ কথায় প্রবায়টিক্স হচ্ছে একপ্রকার উপকারি ব্যাক্টেরিয়া। এরা প্রতিটি প্রাণীব শরীরে থাকে কমবেশী। তবে বৈজ্ঞানিক ভাবে বলতে গেলে এরা হলো এমন ধরনের অনুজীব যারা কোনো প্রাণীর শরীরে বাস করে সেই প্রাণীর উপকার করে থাকে। মনে হতে পারে এ ঘটনার সাথে সিমবায়োসিস এর মিল আছে, অনেকটা তাই। তবে এরা হোস্ট এর থেকে কি কোনো উপকার পায় কি না তা স্পষ্ট নয়।

বিষয়টি আরও ভালভাবে বুঝতে এবার কতগুলো সংজ্ঞা দেখা যাক। ফুলার (১৯৮৭) সালে বলেন, প্রবায়টিক্স হলো মাইক্রোবিয়াল ফিড সাপ্লিমেন্ট যারা হোস্ট এর উপকার সাধন করে। …বিস্তারিত