ক্যাটাগরি: অঙ্গসংস্থানবিদ্যা | মাৎস্য জীববিজ্ঞান

জলজ স্তন্যপায়ীদের অভিযোজন: পর্ব-১

অধিকাংশ স্তন্যপায়ী স্থলচর হলেও পৃথিবীতে বেশকিছু জলচর স্তন্যপায়ীও দেখতে পাওয়া যায় যারা জলজ স্তন্যপায়ী হিসেবে পরিচিত। এদের মধ্যে অনেকে সম্পূর্ণভাবে জলজ পরিবেশের উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ এরা খাদ্য ও আশ্রয়ের জন্য সারা জীবনকাল ব্যাপী জলে অবস্থান করে। যেমন- শুশুক (Dolphin), তিমি (Whale) ইত্যাদি। অন্যদিকে অনেকে আবার আংশিকভাবে জলজ পরিবেশের উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ এরা মূলত স্থলে বসবাস করে কিন্তু খাদ্য ও আশ্রয়ের জন্য অস্থায়ীভাবে জলে অবস্থান করে। যেমন- সিল (Seals), ভোঁদড় (Otters), বিবর (Beavers), জলহস্তী (Hippopotamus), প্লাটিপাস (Platypus), ক্যাপিব্যারা (Capybara) ইত্যাদি। জলজ পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এদের শারিরিক গঠন নানাভাবে অভিযোজিত হয়েছে। অস্থায়ীভাবে জলে অবস্থানকারী স্তন্যপায়ীদের চেয়ে স্থায়ী জলচর স্তন্যপায়ীদের ক্ষেত্রে এই …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: অঙ্গসংস্থানবিদ্যা | মাৎস্য জীববিজ্ঞান | শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা

চিংড়ির উপাঙ্গ পরিচিতি (চিত্রসহ)

চিংড়ির প্রতি দেহখণ্ডকে একজোড়া করে মোট উনিশ জোড়া উপাঙ্গ থাকে। অবস্থানের উপর ভিত্তিকরে এদেরকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- শির-উপাঙ্গ, বক্ষ-উপাঙ্গ ও উদর-উপাঙ্গ। চিংড়ির শির-উপাঙ্গ পাঁচ জোড়া, বক্ষ-উপাঙ্গ আট জোড়া এবং উদর-উপাঙ্গ ছয় জোড়া। শির-উপাঙ্গ ও বক্ষ-উপাঙ্গগুলো সেফালোথোরাক্সে (Cephalothorax) এবং উদর-উপাঙ্গ উদরে (Abdomen) অবস্থান করে। চিংড়ির একটি আদর্শ উপাঙ্গ তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত হয়। যথা-

দেহের সাথে যুক্ত প্রোটোপোডাইট (Protopodite) ভিতরের দিকের অংশ এন্ডোপোডাইট (Endopodite) এবং বাইরের দিকের অংশ এক্সোপোডাইট (Exopodite)

প্রোটোপোডাইট আবার দুটি অংশ নিয়ে গঠিত হয় যাদের একটি কক্সোপোডাইট বা সংক্ষেপে কক্সা (Coxa) এবং এর সাথে যুক্ত আরেকটি অংশ হচ্ছে বেসিপোডাইট বা বেসিস (Basis)। অনেক …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: অঙ্গসংস্থানবিদ্যা | কবিতা | নানাবিধ | মাৎস্য জীববিজ্ঞান

করোটিক স্নায়ুর কাব্য

জন্ম থেকেই দেখছো চোখে নিচ্ছ নাকে ঘ্রাণ বলছ কথা কথা মনের সুখে শুনছে তোমার কান। পড়ছে তোমার চোখের পলক নড়ছে কত পেশী মজার খাবার নিলেই মুখে স্বাদ পেয়ে হও খুশী। কিন্তু কেন হচ্ছে এসব প্রশ্ন কি হয় মনে? আমার কাজের কথা তুমি নাও তাহলে জেনে। যুক্ত হয়ে ব্রেইনের সাথে তথ্য করি সার্ভ কেউ ডাকে মোরে রোটিক স্নায়ু, কেউ ক্র্যানিয়াল নার্ভ।

আমরা যে সব জোড়া স্নায়ু মস্তিষ্ক হতে গমন করি নানান অঙ্গে করোটি-ছিদ্র পথে। আমাদেরই নাম করোটিক স্নায়ু, রেখো তুমি স্মরণ সেনসরি বা মিশ্র, মোটর, একেক জনার ধরণ। আন-এমনিয়টায় জোড়া দশেক, এমনিয়টায় বার সংখ্যার অমিল একটু পেলেও সন্দেহটা ছাড়। উৎপত্তি …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: অঙ্গসংস্থানবিদ্যা | কবিতা | নানাবিধ | মাৎস্য জীববিজ্ঞান

প্রাণী বর্ণমালা

লক্ষ লক্ষ প্রাণীর মাঝে বসত করি ভাই কটা প্রাণী তেমন ভাবে চিনতে বল পাই। ছোট্ট জীবন-স্বল্প সময় তবুও সাধ মনে হতো যদি জানা শোনা সকল প্রাণীর মনে। তাইতো এলেন যুগে যুগে প্রাণীবিদ কত পথ দেখালেন চিনে নেবার প্রাণী আছে যত। উদ্ভব হল শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতির ধারা- শ্রদ্ধা ভরে স্মরি তাঁদের পথ দেখালেন যাঁরা। এবার চল প্রবেশ করি সকল প্রাণীর ঘরে, জেনে নেই সবার কথা পর্ব ধরে ধরে।

একটি কোষের দেহ আমার, এককোষেতেই জীবন ক্ষণপদ, ফ্লাজেলা বা সিলিয়া দ্বারা চলন। স্বাধীন জীবী, মিথোজীবি, পরজীবি হয়ে ব্যাপনক্রিয়ায় শ্বসন চালাই সারাজীবন ভরে। বংশ বৃদ্ধির পদ্ধতির শোন এবার লিস্ট অযৌন বা …বিস্তারিত