ক্যাটাগরি: আইন | প্রকাশনা

বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন, ২০১৭

বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন, ২০১৭ (২০১৭ সনের ২ নং আইন) অনলাইনে প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আইন মন্ত্রনালয়। উক্ত প্রকাশনাটি ফিশারীজের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধায় প্রচারণা ও সচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এখানে হুবহু উপস্থাপন করা হল।

 

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উহার উপাদানসমূহের টেকসই ব্যবহার, জীবসম্পদ ও তদ্‌সংশ্লিষ্ট জ্ঞান ব্যবহার হইতে প্রাপ্ত সুফলের সুষ্ঠু ও ন্যায্য হিস্যা বণ্টন এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান করিবার নিমিত্ত প্রণীত আইন

যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অংশের ১৮ক অনুচ্ছেদে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রহিয়াছে;

যেহেতু বাংলাদেশ জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সনদ (Convention on …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা

মাছের আবাসস্থল ও প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ: মৎস্য জীববৈচিত্র্য রক্ষার অন্যতম উপায়

বাংলাদেশে দ্রুতগতিতে মৎস্য জীববৈচিত্র্য হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মৎস্যবিজ্ঞানীদের মধ্যে আজ আর কোন দ্বিমত নেই। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই মৎস্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বর্তমানে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হলেও তার মূল সুরটিই হচ্ছে দেশীয় মাছের আবাসস্থল ও প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ। কিন্তু বিষয়টি উপস্থাপন করা যতটা সহজ বাস্তবায়ন করা ততোটাই কঠিন। কারণ এর সাথে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং অধিক মুনাফার আকাঙ্ক্ষা বিষয়ক নানাবিধ প্রভাবক ওতপ্রোতভাবে জড়িত যা আবাসস্থল ও প্রজননক্ষেত্র পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের প্রধান অন্তরায়। কিন্তু এ অন্তরায়সমূহ দূর করা সম্ভব না হলে দেশের মৎস্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: পরিবেশ | পরিবেশ | মাৎস্য চাষ | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি | স্বাদুপানি

প্লাবনভূমিতে মাছ চাষ: দেশীয় মৎস্য জীববৈচিত্র্যের কফিনে ঠোকা শেষ পেরেক

যে ভূমি বছরে ৩-৪ মাস বন্যার প্লাবিত জলে ডুবে থাকে সে ভূমিকে সাধারণভাবে প্লাবনভূমি বলা হয়ে থাকে। হিমালয়ের ভাটিতে অবস্থিত এই সমতল ভূমির এটিই স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যে প্রতি বর্ষায় উজানের বন্যার পানি ভাটির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ পানির প্রবাহ কেবলমাত্র নদীর মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব হয় না বলেই অতিরিক্ত পানি নদী উপচে সমতল জমিতে প্রবেশ করে তাকে জলমগ্ন করে তোলে। এভাবে কয়েক মাস চলার পর বৃষ্টির পরিমাণ কমে এলে ভূমি থেকে পানি নেমে যেতে থাকে এবং একটা সময় …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

নদীতে বাড়ছে লবণাক্ততাঃ হুমকির মুখে জলজ জীববৈচিত্র্য

দেশের স্বাদুপানির পাশাপাশি লোনাপানির নদীর লবণাক্ততাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই বৃদ্ধির পরিমাণ একদিকে যেমন মাত্রাগত অন্যদিকে সময়গত। অর্থাৎ দিন দিন যেমন লবণাক্ততার তীব্রতা বাড়ছে তেমনই বাড়ছে লবণাক্ততার স্থায়ীত্ব। এর ফলশ্রুতিতে একদিকে মানুষের জীবন ও জীবিকায় পড়েছে মারাত্মক প্রভাব অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়েছে জলজ জীববৈচিত্র্য। এই লেখায় নদীতে লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণ এবং নানাবিধ প্রভাব এবং করণীয় কি তাই তুলে ধরা হবে।

গত ৯ মে ২০১০ তারিখের প্রথম আলোতে প্রকাশিত “মিঠাপানির মধুমতীতে লবণাক্ততা” শিরোনামের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়- গোপালগঞ্জের স্বাদুপানির নদী মধুমতির পানির লবণাক্ততা …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | পরিবেশ | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা

উপকূলীয় এলাকায় অবৈধভাবে চিংড়ির পোনা আহরণঃ হুমকিতে জলজ জীববৈচিত্র্য

উপকূলীয় এলাকায় বিশেষত মেঘনায় চিংড়ির পোনা ধরা নিষিদ্ধ হলেও চিংড়িচাষিদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদা (মেঘনার চিংড়ির পোনা অল্প সময়ে বিক্রির উপযুক্ত হয় বলে এর কদর বেশি) থাকায় অবৈধভাবে চিংড়ি পোনা শিকার চলছে। এর সাথে যেমন জড়িয়ে রয়েছে জলজ জীববৈচিত্র্যের ভবিষ্যত, তেমনি রয়েছে বড় ধরণের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

কেবলমাত্র লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মেঘনা নদী ও সংযোগ খাল থেকে মৌসুমে (চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস) প্রায় দেড় শ কোটি টাকার গলদা চিংড়ির পোনা ধরা হয়। মেঘনাপাড়ের প্রায় ১০ হাজার জেলে চিংড়ির পোনা সংগ্রহের সাথে জড়িত [১]। অন্যদিকে চাঁদপুরের হাইমচর …বিস্তারিত