ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য চাষ | স্বাদুপানি | হ্যাচারি

হ্যাচারিতে রেণু ও পিএল উৎপাদন: সফলতার অন্যতম প্রভাবক প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ

হ্যাচারিতে রেণু ও পিএল উৎপাদনের সফলতার প্রধান প্রধান প্রভাবক গুলো হচ্ছে- উন্নতমানের ব্রুড মাছ বা চিংড়ি, ব্রুড মাছের জন্য বিশেষ খাদ্য বা পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, সফল প্রণোদিত প্রজনন, রেনু বা পিএল এর জন্য যথাযথ খাদ্য তথা পুষ্টি ব্যবস্থাপনা। এছাড়াও রুই জাতীয় মাছের হ্যাচারিতে নিরবিচ্ছিন্ন প্রবাহমান পানির সরবরাহ এবং চিংড়ি হ্যাচারিতে নিরবিচ্ছিন্ন প্রবাহমান পানির সরবরাহের পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন্ন নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। যার জন্য প্রয়োজন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত ব্যবস্থাপনার।

রুই জাতীয় মাছের হ্যাচারিতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ অত্যাবশ্যক না হলেও চাহিদামতো বিদ্যুতের সরবরাহ একান্ত প্রয়োজনীয়। কারণ হ্যাচারিতে …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | পরিবেশ | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা

উপকূলীয় এলাকায় অবৈধভাবে চিংড়ির পোনা আহরণঃ হুমকিতে জলজ জীববৈচিত্র্য

উপকূলীয় এলাকায় বিশেষত মেঘনায় চিংড়ির পোনা ধরা নিষিদ্ধ হলেও চিংড়িচাষিদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদা (মেঘনার চিংড়ির পোনা অল্প সময়ে বিক্রির উপযুক্ত হয় বলে এর কদর বেশি) থাকায় অবৈধভাবে চিংড়ি পোনা শিকার চলছে। এর সাথে যেমন জড়িয়ে রয়েছে জলজ জীববৈচিত্র্যের ভবিষ্যত, তেমনি রয়েছে বড় ধরণের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

কেবলমাত্র লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মেঘনা নদী ও সংযোগ খাল থেকে মৌসুমে (চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস) প্রায় দেড় শ কোটি টাকার গলদা চিংড়ির পোনা ধরা হয়। মেঘনাপাড়ের প্রায় ১০ হাজার জেলে চিংড়ির পোনা সংগ্রহের সাথে জড়িত [১]। অন্যদিকে চাঁদপুরের হাইমচর …বিস্তারিত