ক্যাটাগরি: নানাবিধ | রেসিপি

আয়েশা আবেদীন আফরার মাছের রেসিপি: সংকলন-২০১১

বিডিফিশির নিয়মিত লেখক আয়েশা আবেদীন আফরা ফিশারীজে স্নাতক। বিডিফিশে তিনি সবচেয়ে বেশি লিখেছেন বিভিন্ন মাছের নানান রেসিপি। তার রেসিপিতে যেমন রয়েছে চচ্চড়ি, ঝোল, ভুনা, ভর্তা, ভাজি, চপ, দোপেঁয়াজার মত নিয়মিত রান্না তেমনই রয়েছে মাছসহ খিচুড়ি, বিরিয়ানি, পোলাও, নুডুলস, স্যুপের মত ব্যতিক্রমধর্মী অনেক রান্নাও। মাছের রেসিপি ছাড়াও অ্যাকুয়ারিয়ামে বাহারী মাছের প্রজনন বিষয়ে তার লেখা বেশ কয়েকটি লেখা ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে এ সাইটে।

এলেখায় ২০১১ সালে তার প্রকাশিত নব্বইটি রেসিপির একটি তালিকা সংযুক্তিসহ প্রকাশ করা হল। এখানে রেসিপির প্রকার অনুসারে এবং মাছের প্রজাতি অনুসারে দুটি সুচি দেয়া …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: নানাবিধ | রেসিপি

রেসিপি: পটল ও বাইম মাছের ঝোল

রেসিপি: পটল ও বাইম মাছের ঝোল

রেসিপি: পটল ও বাইম মাছের ঝোল

উপকরণ:

বাইম মাছ – ২৫০ গ্রাম পটল – ২০০ গ্রাম পিঁয়াজ বাটা – ২ টেবিল চামচ রসুন বাটা – ১/৩ চা চামচ আদা বাটা – ১/৩ চা চামচ জিরা বাটা – ১/৩ চা চামচ হলুদ গুড়া – ১/২ চা চামচ মরিচ গুড়া – ১/২ চা …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: নানাবিধ | রেসিপি

রেসিপি: বাইম ও টেংরা মাছের চচ্চড়ি

রেসিপি: বাইম ও টেংরা মাছের চচ্চড়ি

রেসিপি: বাইম ও টেংরা মাছের চচ্চড়ি

উপকরণ ও পরিমাণ:

বাইম ও টেংরা মাছ – ১/২ কেজি (বাইম মাছ ছোট টুকরা করে কাটা)। ডাটা – ২৫০ গ্রাম (চার চিড় করে লম্বা করে কাটা)। ছোট লাল আলু – ১২৫ গ্রাম (চার টুকরা করে কাটা)। পিঁয়াজ বাটা – ২ টেবিল চামচ। রসুন বাটা – ১/৩ চা চামচ। …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

বাইম

বাইম

সাপের মতো দীর্ঘাকার ও প্রায় নলাকার এবং আঁইশবিহীন এই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mastacembelus armatus এবং ইংরেজি নাম Tire-track spiny eel এবং Fish Base নাম Zig-zag eel আর বাংলা নাম বাইম, মাব ও সল বাইম। পৃষ্ঠদেশ বাদামী, যার মধ্যে কালো বর্ণের আঁকাবাঁকা দাগ (ব্যান্ড) দেখতে পাওয়া যায়। অঙ্কীয়ভাগ হলুদাভাব বাদামী। মুখ ছোট আর উভয় চোয়ালে তীক্ষ্ণ দাঁত দেখতে পাওয়া যায়।

পৃষ্ঠপাখনার প্রথম ৩২-৪০টি পাখনারশ্মি কাঁটায় রুপান্তরিত হয়েছে যা মাথার পর থেকে শুরু করে দেহের অর্ধেকেরও পর পর্যন্ত বিস্তৃত। অবশিষ্ট পাখারশ্মির গোড়ায় …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

তারা বাইম

তারা বাইম

লম্বাটে শরীরের এ মাছটির লেজের কাছাকাছি দেহের উপরের অংশে পৃষ্ঠ পাখনার নীচ দিয়ে ৪-৫ টি লাল বা কমলা বা সাদাটে বলয়ে ঘেরা কালো বৃত্তাকার দাগযুক্ত এ মাছটি বর্ষার সময় চলন বিলে প্রচুর পরিমাণে ধরা পড়ে। অনেকে এ মাছটিকে গুচি মাছ বলে অভিহিত করলেও গুচি মাছে তারা বাইমের ন্যায় উপরোক্ত দাগসমূহ থাকে না। তারা বাইমের বৈজ্ঞানিক নাম Macrognathus aculeatus। লেজ ছোট ও গোলাকার। দেহের উপরের অংশের বর্ণ বাদামী এবং পেটের দিকে হলুদাভাব বা সাদাটে রংয়ের। এদের মুখ সূচালো এবং কোন …বিস্তারিত