ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

নদীতে বাড়ছে লবণাক্ততাঃ হুমকির মুখে জলজ জীববৈচিত্র্য

দেশের স্বাদুপানির পাশাপাশি লোনাপানির নদীর লবণাক্ততাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই বৃদ্ধির পরিমাণ একদিকে যেমন মাত্রাগত অন্যদিকে সময়গত। অর্থাৎ দিন দিন যেমন লবণাক্ততার তীব্রতা বাড়ছে তেমনই বাড়ছে লবণাক্ততার স্থায়ীত্ব। এর ফলশ্রুতিতে একদিকে মানুষের জীবন ও জীবিকায় পড়েছে মারাত্মক প্রভাব অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়েছে জলজ জীববৈচিত্র্য। এই লেখায় নদীতে লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণ এবং নানাবিধ প্রভাব এবং করণীয় কি তাই তুলে ধরা হবে।

গত ৯ মে ২০১০ তারিখের প্রথম আলোতে প্রকাশিত “মিঠাপানির মধুমতীতে লবণাক্ততা” শিরোনামের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়- গোপালগঞ্জের স্বাদুপানির নদী মধুমতির পানির লবণাক্ততা …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা

মৃত গরু-মহিষের রক্ত-মাংসের টোপ দিয়ে কাঁকড়া শিকারঃ জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য একটি হুমকি

বাজশাহী শহরাঞ্চলের নিকটবর্তী পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মৃত গরু, ছাগল বা মহিষকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে মাছ শিকারে বিষয়টি প্রথম যখন আমার নজরে আসে তখন একই সাথে যেমন অবাক হয়েছিলাম তেমনি হয়েছিলাম বিস্মিত। এ নিয়ে বিডিফিশ বাংলায় “মৃত প্রাণী ব্যবহার করে মাছ শিকারঃ মৎস্য বৈচিত্র্যের জন্য একটি বড় হুমকি” শিরোনামে একটি লেখা প্রকাশ করেছিলাম। পরবর্তিতে দেশের বেশ কয়েকটি পত্রিকায় মৃত গরু-মহিষের রক্ত-মাংশের টোপ দিয়ে কাঁকড়া শিকারের খবর আমার নজরে আসে। এক্ষেত্রে সাধারণত কাঁকড়া ধরার ফাঁদ চাঁই-এ টোপ হিসেবে মৃত গরু-মহিষের রক্ত-মাংশ ব্যবহার করা হয়ে …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | পরিবেশ | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা

মেক্সিকো উপসাগরে তেলক্ষেত্র বিস্ফোরণঃ হুমকির মুখে ৪৪৫ প্রজাতির মাছ

মেক্সিকো উপসাগরের তেলক্ষেত্রে বিস্ফোরণে পর হুমকির মুখে ৬৫০ এর বেশী প্রজাতির প্রাণী যার মধ্যে সিংহভাগই মাছ

মেক্সিকো উপসাগরের তেলক্ষেত্রে বিস্ফোরণে পর হুমকির মুখে ৬৫০ এর বেশী প্রজাতির প্রাণী যার মধ্যে সিংহভাগই মাছ

গত ২০ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মেক্সিকো উপসাগরের তেলক্ষেত্রে বিস্ফোরণে পর সমুদ্রের পানিতে তেল ছড়িয়ে পড়ার ফলে সে এলাকার ৬৫০-এর বেশি প্রজাতির প্রাণীর অস্তিত্ব বর্তমানে হুমকির সম্মুখীন। এর মধ্যে সিংহভাগই (৪৪৫ …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারঃ মৎস্য বৈচিত্র্যের জন্য হুমকি স্বরূপ

উত্তরাঞ্চলের অনেক নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ (মূলত বাঁশ ও বানা বা জাল ব্যবহার করে এই বাঁধ বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়) দিয়ে মাছ ধরা দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। ইদানিং পত্রিকায় বড় নদী যেমন পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে এভাবে মাছ ধরার খবর প্রকাশিত হবার প্রেক্ষিতে নিশ্চিত করে বলা যায় এভাবে মাছ শিকারের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।

যেমন- গত ১৪ মে ২০১০ তারিখের প্রথম আলোর বিশাল বাংলা পাতায় প্রকাশিত “পদ্মায় বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার চলছেই” শিরোনামের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়- পদ্মা নদীর রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নে …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | পরিবেশ | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা

উপকূলীয় এলাকায় অবৈধভাবে চিংড়ির পোনা আহরণঃ হুমকিতে জলজ জীববৈচিত্র্য

উপকূলীয় এলাকায় বিশেষত মেঘনায় চিংড়ির পোনা ধরা নিষিদ্ধ হলেও চিংড়িচাষিদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদা (মেঘনার চিংড়ির পোনা অল্প সময়ে বিক্রির উপযুক্ত হয় বলে এর কদর বেশি) থাকায় অবৈধভাবে চিংড়ি পোনা শিকার চলছে। এর সাথে যেমন জড়িয়ে রয়েছে জলজ জীববৈচিত্র্যের ভবিষ্যত, তেমনি রয়েছে বড় ধরণের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

কেবলমাত্র লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মেঘনা নদী ও সংযোগ খাল থেকে মৌসুমে (চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস) প্রায় দেড় শ কোটি টাকার গলদা চিংড়ির পোনা ধরা হয়। মেঘনাপাড়ের প্রায় ১০ হাজার জেলে চিংড়ির পোনা সংগ্রহের সাথে জড়িত [১]। অন্যদিকে চাঁদপুরের হাইমচর …বিস্তারিত