ক্যাটাগরি: মাৎস্য পরিসংখ্যান | মাৎস্য সম্পদ

বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ পরিসংখ্যান (২০১১-২০১২): একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা

বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তর বিগত বছরগুলোর মত ২০১৩ সালেও ২০১১-২০১২ অর্থ বছরের মৎস্যসম্পদের বছরভিত্তিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সেই পরিসংখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে তুলনামূলক বিশ্লেষণসহ উপস্থাপন করা হল।

 

অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক জলায়তন: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মৎস্যের জলায়তনের মধ্যে উন্মুক্ত জলাশয়ের জলায়তনের পরিমাণ কমলেও (-২.৪৮%) বেড়েছে বদ্ধ জলাশয়ের আয়তন (+১৪.০৫%)। বদ্ধ জলাশয়ের মধ্যে পুকুর ও বাঁওড়ের (অক্সবো লেক) জলায়তনের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকলেও কমেছে চিংড়ি খামারের আয়তন (-০.৪৬%)। এবছর আধাবদ্ধ জলাশয়ের পরিবর্তে মৌসুমি জলাশয় সংযুক্ত হয়েছে যার জলায়তন ১,২২,০২৬ হেক্টর। অন্যদিকে উন্মুক্ত জলাশয়ের মধ্যে নদী ও মোহনা, সুন্দরবন, বিল …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য পরিসংখ্যান | মাৎস্য সম্পদ

বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ পরিসংখ্যানঃ ২০১০-২০১১

বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তর বিগত বছরগুলোর মত ২০১২ সালেও ২০১০-২০১১ অর্থ বছরের মৎস্য সম্পদের বছরওয়ারি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সেই পরিসংখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে বিশ্লেষণসহ উপস্থাপন করা হল। মূলত ২০১০-২০১১ বছরের মৎস্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্যাটাগরি ভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত এবং এর বাৎসরিক বৃদ্ধি বা হ্রাসের শতকরা হার এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক মৎস্যের জলায়তন: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মৎস্যের জলায়তনের মধ্যে উন্মুক্ত জলাশয়ের জলায়তনের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে বদ্ধ জলাশয়ের আয়তন (+৮.১২%)। পুকুর, চিংড়ি খামার, আধাবদ্ধ জলাশয়ের জলায়তন বাড়লেও কমেছে বাঁওড়ের (অক্সবো লেক) জলায়তনের পরিমাণ (-৩৫.৮৬%) [টেবিল- …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: জনশক্তি | প্রতিষ্ঠান | মাৎস্য সম্পদ | সম্প্রসারণ

যোগাযোগ তথ্য: মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ

আমাদের মধ্যে যারা ফিশারীজ সেক্টর তথা মৎস্য সংশ্লিষ্ট পেশার সাথে জড়িত তারা প্রায়ই পেশা সংশ্লিষ্ট নানাবিধ প্রয়োজনে মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সেই যোগাযোগকে সহজ করে দেবার জন্যই বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের তথ্য দেয়া হল। প্রত্যাশা করছি তা সবারই উপকারে আসবে।

ডাক যোগাযোগ: মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ভবন, ঢাকা

ওয়েবসাইট: www.fisheries.gov.bd

বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের তথ্য নিচে দেয়া হল।

 

পদবী দায়িত্বে যোগাযোগ মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ ০২ ৯৫৬২৮৬১ …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: বিদেশী মাছ | মাছ | মাৎস্য সম্পদ

বাংলাদেশের বিদেশী মাছ: ফ্যান্টম টেট্রা

Phantom tetra: Hyphessobrycon megalopterus

ফ্যান্টম টেট্রা মাছের ঝাঁক

ফ্যান্টম টেট্রা মাছটি ব্ল্যাক ফ্যান্টম টেট্রা নামেও পরিচিত। মাছটির বৈজ্ঞানীক নাম Hyphessobrycon megalopterus । ফ্যান্টম টেট্রা মাছটি থাইল্যাণ্ড ও সিঙ্গাপুর হতে একুরিয়াম মাছ আমদানীকারকদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করে (Galib and Mohsin, 2010 and 2011)। এদের আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা (Wikipedia, 2010; Galib and Mohsin, 2011)।

শ্রেণীবিন্যাসগত অবস্থান Phylum: Chordata Class: Actinopterygii (Ray-finned fishes) Order: Characiformes (Characins) Family: Characidae (Characins) Genus: Hyphessobrycon Species: H. megalopterus

সিনোনেম Megalamphodus …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: বিদেশী মাছ | মাছ | মাৎস্য সম্পদ

বাংলাদেশের বিদেশী মাছ: ব্ল্যাক কার্প/স্নেইল কার্প

Black carp: Mylopharyngodon piceus

ব্ল্যাক কাপ / স্নেইল কার্প

ব্ল্যাক কার্প মাছটি ১৯৮৩ সালে চীন হতে মৎস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয় (Rahman, 2007; Khaleque, 2002; Galib and Mohsin, 2011)। এর বৈজ্ঞানিক নাম Mylopharyngodon piceus । এটি স্নেইল কার্প নামেও পরিচিত (Galib and Mohsin, 2011)। বাংলাদেশে এই মাছটি মূলতঃ শামুক নিয়ন্ত্রণ এবং চাষের উদ্দেশ্যে আমদানী করা হয়েছিল (Rahman, 2007; Khaleque, 2002; Galib and Mohsin, 2011)। ব্ল্যাক কার্প মাছের আদি নিবাস চীন (Khaleque, 2002)।

শ্রেণীবিন্যাসগত …বিস্তারিত