ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

মৎস্য পরিচিতি: এ্যাংরট

এ্যাংরট: Labeo angra

এ্যাংরট: Labeo angra

এ্যাংরট বা খরসা বা খরিস নামের এই মাছটির মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Labeo angra এবং ইংলিশ নাম angra labeo।

মাছটি দেখতে অনেকটা রুই মাছের মত। কিন্তু গায়ের রং ও আকৃতিতে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান। দেহের পৃষ্ঠভাগ কালচে সবুজ বর্ণের এবং অঙ্কীয়দেশ সাদা বর্ণের। দেহের পুচ্ছভাগে প্রায় গোলাকার কালো বর্ণের একটি দাগ দেখতে পাওয়া যায়। মাছটির পার্শ্বরেখা সম্পূর্ণ। আঁইশ তুলনামুলক ভাবে ছোট। মুখে অতি ক্ষুদ্র দুই জোড়া বার্বেল থাকে। পুচ্ছ পাখনা গভীর …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ

মৎস্য পরিচিতি: নান্দিনা

নান্দিনা মাছ বাংলাদেশে নান্দিল বা নান্দি নামে পরিচিত যার বৈজ্ঞানিক নাম Labeo nandina। এ মাছটি সিপ্রিনিফরমিস (Cyprinifoormes) বর্গের সিপ্রিনিডি (Cypriidae) গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। নান্দিনার ইংরেজী নাম Nandi labeo।

ভৌগোলিক বিস্তার: বাংলাদেশ, পশ্চিম বাংলা এবং আসাম (ভারত) এবং মায়ানমার (Talwar and Jhingran, 1991)।

দেহ বর্ণনা: মাছটির দেহ লম্বাটে এবং পিঠের অংশ পেটের অংশের তুলনায় উত্তল। চোখের মনির চারদিক লাল বর্ণের। পৃষ্ঠ পাখনা অনেকটা গোলাকার এবং পুচ্ছপাখনা গভীর খাঁজযুক্ত। মাথার নিচ দিক থেকে দেখলে চোখ বোঝা যায় না। ঠোঁট প্রান্তীয় ও পাতলা এবং নিচের অংশটি প্যাপিলা যুক্ত। তুণ্ড …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাছ

সাধারন অর্থে শারিরীক ও মানসিকভাবে ভাল ও সুস্থ থাকাকে স্বাস্থ্য বা সুস্থতা বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের বেশিরভাগ মানুষই অপুষ্টিতে ভোগে। বিশেষত গ্রামীন ও শহরের দরিদ্র শিশু ও মহিলারা দারিদ্র্যতার দরুন যথেষ্ঠ পুষ্টিকর খাবার পায় না। বিবিএস (২০০৯) এর তথ্যমতে বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে রয়েছে। তারা যেমন খাদ্যের অভাবে থাকে তেমনই অপুষ্টিতে ভোগে। কিন্তু মানবদেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধির জন্য আমিষ বা প্রোটিন অপরিহার্য। বাংলাদেশের মানুষের প্রতিদিন গড়ে প্রোটিন গ্রহনের পরিমান ৬২.৫২ গ্রাম (পরিসংখ্যান বুলেটিন, ২০০৮)। মৎস্য অধিদপ্তর (২০০৯) এর তথ্যানুসারে প্রাণিজ …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

কালিবাউস

কালিবাউস

রুই মাছের মতো দেখতে এই মাছের দেহের পৃষ্ঠদেশের বর্ণ কাল-সবুজাভাব ও অঙ্কীয়দিক কিছুটা ফ্যাকাসে যার মাধ্যমে সহজেই একে রুই মাছ থেকে আলাদা করা যায়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Labeo calbasu এবং স্থানীয়ভাবে এর বেশকিছু নাম প্রচলিক আছে যথা বাউস, কালাবাউস, বাউগনি, কালবাসু বা কলিয়া। আঁইশ মাঝারী ও গোলাকার এবং কোন কোন আঁইশে কাল চিহ্ন বর্তমান। পাখনার বর্ণ কাল। এদের মুখে দু’জোড়া স্পর্শী থাকে। বর্তমানে হ্যাচারিতে প্রণোদিত প্রজননের মাধ্যমে এর রেনু উৎপাদন করা সম্ভব হলেও এভাবে প্রাপ্ত মাছে উল্লেখত স্পর্শী দেখতে …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

বাটা

বাটা

বাংলাদেশের চাষকৃত ছোট মাছের (প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় যে প্রজাতির মাছের মোট দৈর্ঘ্য ২৫ সেমি বা এর কম) মধ্যে বাটা অন্যতম যার বৈজ্ঞানিক নাম Labeo bata। হালকা নীলাভ-কাল পৃষ্ঠদেশ আর উভয় পাশ ও অঙ্কীয়দেশ রুপালী সাদা। কানকোর প্রান্ত হালকা কমলা বর্ণের আর পাখনা (বিশেষত বক্ষ, শ্রোণী ও পায়ু পাখনা) কমলা বর্ণের। সব পাখনায় কালো বিন্দু দেখতে পাওয়া যায়। বয়সের সাথে সাথে বর্ণ কম-বেশি পরিবর্তন হয়ে থাকে।

প্রধান খাবার উদ্ভিদকণা (ফাইটোপ্লাঙ্কটন), এছাড়াও গলিত উদ্ভিদ ও উদ্ভিদাংশ এবং তলদেশের পচনশীল বস্তু, জৈব পদার্থ ও …বিস্তারিত