ক্যাটাগরি: বিদেশী মাছ | মাছ | মাৎস্য সম্পদ

থাই পাঙ্গাস

থাই পাঙ্গাস

অনেকটা দেশী পাঙ্গাস মাছের মতো দেখতে থাই পাঙ্গাস মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Pangasianodon hypophthalmus, ইংরেজী নাম Sutchi catfish। আঙ্গুলী পোনা অবস্থায় এর উভয় পাশে লম্বালম্বিভাবে কালো দাগ (ব্যান্ড) দেখতে পাওয়া যায় যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে অস্পষ্ট হতে শুরু করে এবং প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। কিন্তু দেশী পাঙ্গাসের কোন বয়সেই এরকম কোন দাগ দেখতে পাওয়া যায় না। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় এই মাছের বর্ণ রুপালি হয়ে থাকে। পৃষ্ঠ ও পুচ্ছ পাখনার বর্ণ ধুসর-কালো অন্যান্য পাখনার বর্ণ লাল-কমলা এবং এই বর্ণ বয়স …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

ঢেলা

ঢেলা

মলা-ঢেলা মাছের নাম আমরা সকলেই জানি কিন্তু মলা মাছ চিনলেও ঢেলা মাছের সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত নই। ঢেলা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Rohtee cotio, কোথাও কোথাও স্থানীয়ভাবে একে কেটি, মৌ মাছ, চেলা, মোয়া নামেও অভিহিত করা হয়। মলা মাছের ন্যায়, অনেকটা চারকোনা আকার বিশিষ্ট সাদাটে বর্ণের এ মাছটির পাখনাসমূহ হালকা সবুজাভাব এবং চোখ মুখের খুব কাছে অবস্থান করে। এর পৃষ্ঠ পাখনার গোড়ায় একটি কালো বর্ণের বলয় বিদ্যমান। এরা দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৫ সে.মি. পর্যন্ত হতে পারে।

মলার ন্যায় ঢেলা মাছও পুষ্টিগুণে …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: বিদেশী মাছ | মাছ | মাৎস্য সম্পদ

বিগহেড কার্প

বিগহেড কার্প

বাংলাদেশের চাষকৃত বিদেশী মাছ সিলভার কার্প এর মতো দেখতে এই মাছের মাথা তুলনামূলক বড় সম্ভবত একারণেই এর নাম বিগহেড কার্প। এর বৈজ্ঞানিক নাম Hypophthalmichthys nobilis, ইংরেজী নাম Bighead carp । চাপা রুপালি বর্ণের শরীর ছোট ছোট আঁইশ দিয়ে ঢাকা এবং পৃষ্ঠীদেশ ধুসর-কালো। সারা দেহে বিশেষত পৃষ্ঠদেশে কাল কাল দাগ দেখতে পাওয়া যায়। পাখনার বর্ণ গাঢ় লাল।

এই মাছের আদিবাস চীন হলেও ১৯৮১ সালে প্রথম নেপাল থেকে চাষের উদ্দেশ্যে আমাদের দেশে আনা হয় এবং পরবর্তিতে হ্যাচারিতে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পোনা …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: বিদেশী মাছ | মাছ | মাৎস্য সম্পদ

থাই পুঁটি

থাই সরপুঁটি বা রাজ পুঁটি

বাংলাদেশের চাষকৃত বিদেশী ছোট মাছের (প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় যে প্রজাতির মাছের মোট দৈর্ঘ্য ২৫ সেমি বা এর কম) মধ্যে থাই পুঁটি অন্যতম যার বৈজ্ঞানিক নাম Barbonymus gonionotus, ইংরেজী নাম Java barb এবং স্থানীয়ভাবে একে থাই সরপুঁটি বা থাই রাজপুঁটি ও বলা হয়ে থাকে। দেশী সরপুঁটির মতো দেখতে এই মাছ তুলনামূলক বড় এবং উজ্জ্বল রুপালি বর্ণের শরীর বেশ উজ্জ্বল। অঙ্কীয়দেশ ও বক্ষ পাখনা হালকা হলুদ বর্ণের এবং পায়ু ও শ্রোণী পাখনা রক্তিম গোলাপী হয়ে থাকে। মুখে দু’জোড়া …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

বউ বা রাণী

চলন বিলে বউ মাছের দুটি প্রজাতি পাওয়া যায়, যারা দেখতে অনেকটা একই ধরনের হলেও দেহের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এদেরকে পৃথক করা যায়। এই দুটি প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নাম Botia dario এবং Botia lohachata। চলন বিল সংলগ্ন এলাকায় মাছ দুটি বউ মাছ বা রাণী মাছ নামে পরিচিত হলেও দেশের অন্যান্য অনেক স্থানে এটি বেটি, পুতুল, বেতাঙ্গী ইত্যাদি নামে পরিচিত। বউ মাছ দেখতে অত্যন্ত আকর্ষনীয় এবং চ্যাপ্টা ও লম্বাটে দেহবিশিষ্ট। উভয় মাছেরই মুখ আকারে ছোট এবং ৪ জোড়া ক্ষুদ্রাকৃতির স্পর্শী থাকে।

বউ বা রাণী …বিস্তারিত