ক্যাটাগরি: মাৎস্য চাষ | স্বাদুপানি | হ্যাচারি

দেশীয় ছোট মাছের গুরুত্ব ও চাষ প্রযুক্তি

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় ছোট মাছ

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় ছোট মাছ

দেশীয় ছোট মাছ: সাধারণত এ দেশের প্রাকৃতিক উৎসজাত এমন মাছ যেগুলো পূর্ণ বয়স্ক অবস্থায় সর্বোচ্চ ৯ ইঞ্চি বা ২৫ সে.মি. পর্যন্ত আকারের হয়ে থাকে সেগুলোকে দেশী ছোট মাছ বলে। এ দেশের স্বাদু পানির ২৬০টি প্রজাতির মাছের মধ্যে অধিকাংশই ছোট মাছ। তবে বর্তমানে এর মধ্যে মাত্র ৫০ প্রজাতির ছোট মাছ কোন …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাছ

সাধারন অর্থে শারিরীক ও মানসিকভাবে ভাল ও সুস্থ থাকাকে স্বাস্থ্য বা সুস্থতা বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের বেশিরভাগ মানুষই অপুষ্টিতে ভোগে। বিশেষত গ্রামীন ও শহরের দরিদ্র শিশু ও মহিলারা দারিদ্র্যতার দরুন যথেষ্ঠ পুষ্টিকর খাবার পায় না। বিবিএস (২০০৯) এর তথ্যমতে বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে রয়েছে। তারা যেমন খাদ্যের অভাবে থাকে তেমনই অপুষ্টিতে ভোগে। কিন্তু মানবদেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধির জন্য আমিষ বা প্রোটিন অপরিহার্য। বাংলাদেশের মানুষের প্রতিদিন গড়ে প্রোটিন গ্রহনের পরিমান ৬২.৫২ গ্রাম (পরিসংখ্যান বুলেটিন, ২০০৮)। মৎস্য অধিদপ্তর (২০০৯) এর তথ্যানুসারে প্রাণিজ …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

কালিবাউস

কালিবাউস

রুই মাছের মতো দেখতে এই মাছের দেহের পৃষ্ঠদেশের বর্ণ কাল-সবুজাভাব ও অঙ্কীয়দিক কিছুটা ফ্যাকাসে যার মাধ্যমে সহজেই একে রুই মাছ থেকে আলাদা করা যায়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Labeo calbasu এবং স্থানীয়ভাবে এর বেশকিছু নাম প্রচলিক আছে যথা বাউস, কালাবাউস, বাউগনি, কালবাসু বা কলিয়া। আঁইশ মাঝারী ও গোলাকার এবং কোন কোন আঁইশে কাল চিহ্ন বর্তমান। পাখনার বর্ণ কাল। এদের মুখে দু’জোড়া স্পর্শী থাকে। বর্তমানে হ্যাচারিতে প্রণোদিত প্রজননের মাধ্যমে এর রেনু উৎপাদন করা সম্ভব হলেও এভাবে প্রাপ্ত মাছে উল্লেখত স্পর্শী দেখতে …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

বাটা

বাটা

বাংলাদেশের চাষকৃত ছোট মাছের (প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় যে প্রজাতির মাছের মোট দৈর্ঘ্য ২৫ সেমি বা এর কম) মধ্যে বাটা অন্যতম যার বৈজ্ঞানিক নাম Labeo bata। হালকা নীলাভ-কাল পৃষ্ঠদেশ আর উভয় পাশ ও অঙ্কীয়দেশ রুপালী সাদা। কানকোর প্রান্ত হালকা কমলা বর্ণের আর পাখনা (বিশেষত বক্ষ, শ্রোণী ও পায়ু পাখনা) কমলা বর্ণের। সব পাখনায় কালো বিন্দু দেখতে পাওয়া যায়। বয়সের সাথে সাথে বর্ণ কম-বেশি পরিবর্তন হয়ে থাকে।

প্রধান খাবার উদ্ভিদকণা (ফাইটোপ্লাঙ্কটন), এছাড়াও গলিত উদ্ভিদ ও উদ্ভিদাংশ এবং তলদেশের পচনশীল বস্তু, জৈব পদার্থ ও …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ | স্বাদুপানির মাছ

মৃগেল

রুই-কাতলার পর বাংলাদেশের বহুল পরিচিত মাছ হচ্ছে মৃগেল বা মিরকা, যার বৈজ্ঞানিক নাম Cirrhinus cirrhosus। দেথতে প্রায় রুই মাছের মতো হলেও তুলনামূলক নলাকার দেহ আর উজ্জ্বল ধুসর বর্ণের পৃষ্ঠদেশ ও রুপালি-সাদা পার্শ-অঙ্কীয়দেশের জন্য সহজেই একে রুই থেকে আলাদা করা যায়। সম্মুখভাগের উপরের অংশের আঁইশ ধুসর-কালো ও বক্ষ, শ্রোণী ও পায়ু পাখনা কমলা বর্ণের (বিশেষত প্রজনন ঋতুতে) হয়ে থাকে।

জলাশয়ের তলদেশে বসবাসকরী এই মাছ প্রধানত পচা উদ্ভিদ বা উদ্ভিদাংশ খেয়ে থাকে। দুই বছরেই এরা প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে এবং বর্ষাকালে মৌসুমী বায়ু প্রবাহের ফলে …বিস্তারিত