ক্যাটাগরি: জীববিজ্ঞান | পূর্বপাঠ | প্রাণিবিজ্ঞান

পর্ব আর্থ্রোপোডা (Arthropoda) এবং একাইনোডার্মাটা (Echinodermata)

ফিশারীজ কোন মৌলিক বিজ্ঞান নয় বরং এটি জীববিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের একটি সমন্বিত বিজ্ঞান যা মাছ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশিষ্ট জলজ প্রাণীদের জীবতত্ত্ব, চাষ, আবাসস্থল ব্যবস্থাপনা, আহরণ, প্রক্রিয়াজনকরণ ইত্যাদি বিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা করে। তাই ফিশারীজকে বুঝতে হলে অবশ্যই জীববিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়াদি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। সে উদ্দেশ্য পূরণকল্পে শুরু হল বিডিফিশ বাংলার পূর্বপাঠ অধ্যায়। এলেখার বিষয় পর্ব আর্থ্রোপোডা (Arthropoda) এবং একাইনোডার্মাটা (Echinodermata)। সাথে রইল কুইজে অংশ নেয়ার সুযোগ

 

 

পর্ব আর্থ্রোপোডা (Arthropoda)

[গ্রিক শব্দ Arthros অর্থ Joint তথা সন্ধিযুক্ত এবং Podos অর্থ Foot তথা পদ/পা]

  • আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
  • কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল দিয়ে দেহ আবৃত এবং সম্পূর্ণ জীবনকালে পুরানো বহিঃকঙ্কালটি একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পরিত্যক্ত হয় এবং পর্যায়ক্রমে নতুন বহিঃকঙ্কাল গঠিত হয়।
  • বাহ্যিকভাবে খণ্ডায়িত দেহের প্রতি খণ্ডকে পার্শ্বীয় সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ (Jointed appendages) বর্তমান।
  • হিমোসিল (Haemocoel) নামক প্রকৃত সিলোম উপস্থিত যা রক্ত তথা দেহ তরলে (Body fluid) পূর্ণ।
  • মস্তকের উভয় পাশে একটি করে মোট দুটি পুঞ্জাক্ষি (Compound eye) বর্তমান।
  • এদের রেচন অঙ্গ হচ্ছে সবুজ গ্রন্থি (Green glands) অথবা মালপিজিয়ান নালিকা (Malpighian tubules)।
  • শ্বসন চলে দেহপ্রাচীর (Body surface), ফুলকা (Gills), ট্রাকিয়া (Tracheae) অথবা গ্রন্থ-ফুসফুস (Book-lungs) এর মাধ্যমে।
  • সাধারণত একলিঙ্গ (Dioecious)। এদের নালীযুক্ত প্রজনন অঙ্গ বর্তমান। অনেকে পার্থেনোজেনেসিস (Parthenogenesis) প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে থাকে।
  • নিষেক সাধারণত অভ্যন্তরীণ, পরিস্ফুটন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, পরোক্ষ পরিস্ফুটনের ক্ষেত্রে এক বা একাধিক লার্ভা দশা দেখতে পাওয়া যায়।

 

আর্থ্রোপোডা পর্বের অন্তর্ভুক্ত শ্রেণীসমূহ:

শ্রেণী: মেরোস্টোমাটা (Merostomata)

  • পাঁচ বা ছয় জোড়া উপাঙ্গ ফুলকা (Gill) বহন করে।
  • দেহ শিরোবক্ষ ও উদরে বিভক্ত।
  • উদরের শেষ প্রান্তে তীক্ষ্ণ টেলসন (Telson) বর্তমান।
  • পার্শ্বীয়ভাবে পুঞ্জাক্ষি উপস্থিত
  • সামুদ্রিক ও জলজ প্রাণী
  • উদাহরণ: Limulus polyphemus

 

শ্রেণী: অ্যারাকনিডা (Arachnida)

  • দেহ শিরোবক্ষ ও উদরে বিভক্ত।
  • শিরোবক্ষে চার জোড়া হাঁটিয়ে পা উপস্থিত থাকলেও উদরে সাধারণত পা অনুপস্থিত।
  • এক জোড়া ফুলকা (Gill), গ্রন্থ ফুসফুস (Book lung) অথবা ট্রাকিয়ার (Trachea) সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
  • আট জোড়া সরল চোখ বর্তমান।
  • কক্সাল গ্রন্থি (Coxal gland) ও মালপিজিয়ান নালিকা (Mulpighian tubules) রেচনাঙ্গের সাহায্য রেচনক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে
  • একলিঙ্গ (Dioecious), অধিকাংশই ডিম পাড়ে (Oviparous)।
  • উদাহরণ: Lycosa lenta (মাকড়শা)

 

শ্রেণী: পিকনোগোনিডা (Pycnogonida)

  • দেহের প্রধান অংশই শিরোবক্ষ, উদর অতি ক্ষুদ্র।
  • দুই জোড়া সরল চোখ বর্তমান।
  • সাধারণত আট জোড়া লম্বা হাঁটিয়ে পা বর্তমান।
  • ডিম বহন করার জন্য স্ত্রী সদস্যদের এক জোড়া অতিরিক্ত পা বর্তমান যা পুরুষ সদস্যদের থাকে না।
  • মুখে প্রোবোসিস (Proboscis) উপস্থিত।
  • রেচন ও শ্বসন অঙ্গ অনুপস্থিত।
  • উদাহরণ: Pycnogonum littorale

 

শ্রেণী: ক্রাসটেসিয়া (Crustacea)

  • দেহ বৃহৎ দুটি অঞ্চলে (Tagmata) বিভক্ত যথা- শিরোবক্ষ (Cephalothorax) ও উদর (Abdomen)।
  • শিরোবক্ষে পৃষ্ঠীয় ক্যারাপেজ (Carapage) যুক্ত থাকে যা দেহের অংশ বিশেষ বা সম্পূর্ণ অংশ ঢেকে রাখে।
  • প্রত্যেক উপাঙ্গ দ্বিশাখ (Biramous) বিশিষ্ট।
  • ফুলকার (Gill) সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
  • একজোড়া পুঞ্জাক্ষি বৃন্তের (Stalk) সাহায্যে যুক্ত।
  • মাথায় দুইজোড়া অ্যান্টেনি (Antennae), একজোড়া ম্যান্ডিবল (Mandibles) ও দুই জোড়া ম্যাক্সিলি (Maxillae) বর্তমান।
  • উদাহরণ: Palaemon carcinus (চিংড়ি), Carcinus maenas (কাঁকড়া)

 

শ্রেণী: ডিপ্লোপোডা (Diplopoda)

  • লম্বা দেহ প্রায় নলাকার।
  • পাঁচ খণ্ডক বিশিষ্ট মস্তক (Head), চার খণ্ডক বিশিষ্ট বক্ষ (Thorax) ও ২০-১০০ খণ্ডক বিশিষ্ট উদর(Abdomen)  দেখতে পাওয়া যায়।
  • মস্তকে একজোড়া খাটো শুঙ্গ (Antennae) ), একজোড়া ম্যান্ডিবল (Mandibles) ও দুই জোড়া ম্যাক্সিলি (Maxillae) বর্তমান।
  • দুই গুচ্ছ সরল চক্ষু উপস্থিত।
  • প্রতি দেহখণ্ডকে এক থেকে দুই জোড়া করে খাটো পা বর্তমান।
  • উদাহরণ: Julus terrestris (জুলাস)

 

শ্রেণী: কিলোপোডা (Chilopoda)

  • লম্বা দেহ পৃষ্ঠ-অঙ্কীয়ভাবে চাপা।
  • মস্তকে একজোড়া খাটো শুঙ্গ (Antennae) ), একজোড়া ম্যান্ডিবল (Mandibles) ও দুই জোড়া ম্যাক্সিলি (Maxillae) বর্তমান।
  • ধড় (Trunk) ১৫ থেকে ১৭৩ টি খণ্ডাংশ নিয়ে গঠিত যার প্রতিটি খণ্ডাংশে এক জোড়া করে পা বর্তমান।
  • প্রথম জোড়া পা বিষাক্ত নখরে (Poison claw) পরিণত হয়েছে।
  • উদাহরণ: Scolopendra gigantea

 

শ্রেণী: সিমফাইলা (Symphyla)

  • সরু দেহ মস্তক ও ধড়ে (Trunk) বিভক্ত, লম্বায় ১-৮ মিমি।
  • মস্তকে একজোড়া লম্বা সুতার মত শুঙ্গ (Antennae) ), একজোড়া ম্যান্ডিবল (Mandibles) ও দুই জোড়া ম্যাক্সিলি (Maxillae) বর্তমান।
  • চোখ অনুপস্থিত।
  • দেহ খণ্ডক ১৫-২২টি এবং ১২ জোড়া পা বর্তমান।
  • চতুর্থ জোড়া পায়ে মধ্যবর্তী দেহাংশের অঙ্কীয় দিকে প্রজননরন্ধ বর্তমান।
  • উদাহরণ: Scutigerella immaculata

 

শ্রেণী: পরোপোডা (Pauropoda)

  • ক্ষুদ্রাকৃতির (১-১.৫ মিমি) ও নলাকার দেহ মস্তক ও ধড়ে বিভক্ত।
  • মস্তকে একজোড়া শাখান্বিত শুঙ্গ (Antennae) ), একজোড়া ম্যান্ডিবল (Mandibles) ও একজোড়া ম্যাক্সিলি (Maxillae) বর্তমান।
  • ধড় ১১-১২ খণ্ডকে বিভক্ত এবং ধড়ে মোট ৯-১০ জোড়া পা বর্তমান।
  • চোখ অনুপস্থিত।
  • ধড়ের তৃতীয় দেহখণ্ডকের অঙ্কীয় দিকে প্রজননরন্ধ বর্তমান।
  • উদাহরণ: Pauropus sp.

শ্রেণী: ইনসেক্টা (Insecta)

  • দেহ সুস্পষ্ট মস্তক, বক্ষ ও উদর অঞ্চলে বিভক্ত।
  • ছয়টি দেহখণ্ডক একীভূত হয়ে মস্তক গঠিত হয় যেখানে একজোড়া শুঙ্গ (Antennae) এবং এক জোড়া পুঞ্জাক্ষি বর্তমান।
  • তিনটি দেহখণ্ডক একীভূত হয়ে বক্ষ গঠিত হয় যেখানে এক থেকে দুই জোড়া ডানা (Wing) ও তিন জোড়া সন্ধিপদ (Jointed leg) বর্তমান।
  • উদর সাত থেকে এগারটি দেহখণ্ডক নিয়ে গঠিত এবং উপাঙ্গবিহীন।
  • ট্রাকিয়ার (Trachea) সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
  • এরা একলিঙ্গ (Dioecious) প্রাণী এবং নিষেক প্রক্রিয়া অভ্যন্তরীণ।
  • উদাহরণ: Periplaneta americana (আরশোলা),  Musca domestica (মাছি), Pediculus humanus (উকুন)

 

 

পর্ব  একাইনোডার্মাটা (Echinodermata)

[গ্রিক শব্দ Echinos অর্থ Spine তথা কাঁটা এবং Derma অর্থ skin তথা ত্বক]

একাইনোডার্মাটা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:

  • অখণ্ডায়িত দেহের বহির্ভাগ চুননির্মিত (Calcareous) কাঁটা (Spine) ও অসিকলে (Ossicle) আবৃত।
  • পূর্ণাঙ্গ প্রাণী অরীয় প্রতিসম (Radial symmetry) ও পঞ্চপার্শীয় (Pentamerous) হলেও লার্ভা দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম।
  • দেহের বহির্ভাগে পাঁচটি নিচু খাঁজের ন্যায় গঠন অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাদ (Ambulacral groove) বর্তমান।
  • বিশেষায়িত পানি সংবহনতন্ত্র (Water Vascular System) সিলোম থেকে উদ্ভূত।
  • দেহে ভূমির দিকে মৌখিক (Oral) এবং ভূমির বিপরীত দিকে বিমৌখিক (Aboral) তল অবস্থিত।
  • চলনাঙ্গ নালিকা পদ (Tube feet)।
  • ত্রিস্তরী (Triploblastic) ও প্রকৃত সিলোম (Coelom) বিশিষ্ট এই প্রাণীদের মস্তক অনুপস্থিত।
  • পরিপাক নালি (Alimentary canal) সোজা অথবা প্যাঁচানো (Coiled)।
  • রেচন অঙ্গ অনুপস্থিত।
  • সাধারণত একলিঙ্গ (Dioecious), নিষেক বাহ্যিক, মুক্ত সাঁতারু লার্ভা দশা বর্তমান।
  • সকলেই সামুদ্রিক।

 

একাইনোডার্মাটা পর্বের অন্তর্ভুক্ত শ্রেণীসমূহ:

শ্রেণী: ক্রিনয়ডিয়া (Crinoidea)

[গ্রিক শব্দ Crinon অর্থ Lily তথা কুমুদ/লিলি ফুল এবং Eidos অর্থ Form তথা আকৃতি]

  • লিলি ফুলের আকৃতির গোলাকার দেহ বাটির ন্যায় দেহবৃতি (Calyx) গঠন করে যা থেকে সঞ্চালনশীল শাখান্বিত পিনিউল (Pinnules) বিশিষ্ট বাহু সৃষ্টি হয়।
  • মৌখিক তলে (Oral surface) মুখ ও পায়ু অবস্থিত। এ তলেই সিলিয়া বিশিষ্ট (Ciliated) এ্যাম্বুলাক্রাল খাদ (Ambulacral groov) বর্তমান।
  • নালিকা পদে (Tube feet) চোষক (Sucker) ও ম্যাড্রেপোরাইট (Madereporite) অনুপস্থিত তবে কাটা (Spine) বর্তমান।
  • এরা সমুদ্রের লিলি নামে পরিচিত।
  • উদাহরণ: Antedon bifida (সমুদ্র পদ্ম)

 

শ্রেণী: এস্টেরয়ডিয়া (Asteroidea)

[গ্রিক শব্দ Aster অর্থ Star তথা তারা এবং Eidos অর্থ Form তথা আকৃতি ]

  • মৌখিক-বিমৌখিকভাবে (Oral-aborally) চাপা পঞ্চপার্শীয় দেহের কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় চাকতি (Central disk) অবস্থিত এবং এ চাকতি থেকে বর্ধিত বাহুগুলো সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত নয়।
  • পঞ্চবাহুর প্রতিটির অঙ্কীয় দিকে অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাদ (Ambulacral groove) উন্মুক্ত এবং এ খাদের উভয় পাশে দুই/চার সারিতে চোষকযুক্ত নালিকাপদগুলো (Tube feet) অবস্থিত।
  • এরা মুক্ত সাঁতারু এবং ধীরগতিতে হামাগুড়ি (Creeping) দিয়ে চলা প্রাণী।
  • এরা তারামাছ (Starfish) বা সমুদ্র তারা (Sea star) নামে পরিচিত।
  • উদাহরণ: Asterias vulgaris (সমুদ্র তারা)

 

শ্রেণী:ওফিউরয়ডিয়া(Ophiuroidea)

[গ্রিক শব্দ Ophis অর্থ Snake তথা সাপ, Oura অর্থ Tail তথা লেজ এবং Eidos অর্থ Form তথা আকৃতি ]

  • মৌখিক-বিমৌখিকভাবে (Oral-aborally) চাপা পঞ্চপার্শীয় (Pentamerous) দেহের কেন্দ্রে অবস্থিত কেন্দ্রীয় চাকতি (central disk) এবং এ চাকতি থেকে বর্ধিত বাহুগুলো সুস্পষ্ট এবং সুচিহ্নিত।
  • চাবুকের মত ও সঞ্চালনশীল পঞ্চবাহুর প্রতিটির অঙ্কীয় দিকের উভয় পাশে দুই/চার সারিতে চোষকবিহীন নালিকাপদগুলো (Tube feet) অবস্থিত।
  • অনেক প্রাণীতে অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাদ (Ambulacral groove) অনুপস্থিত। যাদের উপস্থিত তাদের ক্ষেত্রে তা ওসিকল (Ossicles) দ্বারা আবৃত।
  • পাকস্থলী (Stomach) থলি (Sack) আকৃতির এবং পায়ু (Anus) অনুপস্থিত।
  • উদাহরণ: Ophiura ciliaris (সর্পতারা)

 

শ্রেণী:একাইনয়ডিয়া (Echinoidea)

[গ্রিক শব্দ Echinos অর্থ Hedgehog এবং Eidos অর্থ Form তথা আকৃতি ]

  • দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম দেহ বাহুবিহীন এবং আকৃতিতে গোলাকার, ডিম্বাকার, চাকতিকার বা হৃদপিণ্ডাকার।
  • দেহ চুনজাতীয় পদার্থে নির্মিত খোলকে আবৃত যার উপরের স্তরে সঞ্চালনশীল কণ্টক উপস্থিত।
  • অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাদ (Ambulacral groove) ওসিকল (Ossicles) দ্বারা আবৃত এবং নালীকাপদ (Tube feet) চোষক বিশিষ্ট।
  • দাঁতসহ এরিস্টটলের লন্ঠন (Aristotle’s lantern) নামক চর্বণ অঙ্গ (Chewing apparatus) বর্তমান।
  • গোনাডের (Gonad) সংখ্যা পাঁচ অথবা পাঁচের কম।
  • এরা সমুদ্র আর্চিন ও ডলার (Sea urchins and dollars) নামে পরিচিত।
  • উদাহরণ: Echinus esculentus (সাগর অর্চিন)

 

শ্রেণী: হলোথুরয়ডিয়া (Holothuroidea)

[গ্রিক শব্দ Holothurion অর্থ Sea cucumber তথা সমুদ্র শসা এবং Eidos অর্থ Form তথা আকৃতি ]

  • নলাকার দেহ মৌখিক (Oral) ও বিমৌখিক (Aboral) অক্ষ (Axis) বরাবর লম্বা এবং দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম।
  • দেহপ্রাচীর নরম, চামড়ার মত এবং কাঁটাবিহীন।
  • সম্মুখস্থ মুখ ছিদ্রের চারপাশের কর্ষিকায় (Tentacle) চক্রাকারে সজ্জিত থাকে।
  • নালীকাপদ চোষক বিশিষ্ট।
  • অবসারণীতে একজোড়া শ্বসন-বৃক্ষ (Respiratory tree) উন্মুক্ত হয়।
  • এরা সমুদ্র শসা নামে পরিচিত।
  • উদাহরণ: Cucumaria planci (কুকুমারিয়া)

 

 

কুইজে অংশ নিতে লিঙ্কটি অনুসরণ করুন

 

Visitors' Opinion

লেখক

প্রাণিবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। বিস্তারিত

Leave a Reply