ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য চাষ | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

মিঠা পানির গলদা চিংড়ি, কাঁচা সোনার খনি

মিঠাপানিতে চাষকৃত গলদা চিংড়ি

মিঠাপানিতে চাষকৃত গলদা চিংড়ি

প্রাক কথন: মিঠাপানির গলদা চিংড়ি চাষ করে নোয়াখালীর জলাবদ্ধ জলাভূমিগুলো হয়ে উঠতে যাচ্ছে এক একটি কাঁচা সোনার খনি। ইতিমধ্যেই বৃহত্তর নোয়াখালীর পুকুর ও বদ্ধ জলাশয়গুলোতে গলদা চিংড়ি চাষ করে অভাবনীয় সফলতা পাওয়া গেছে। আশার সঞ্চার হয়েছে গরিব অসহায় চাষিদের। নোয়াখালীর প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর একর কৃষি জমিতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে কোন ফসল হয় না। শুকনো বোরো মৌসুমে মাত্র একটি ফসল পাওয়া যায়। এর …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

রাজশাহী এলাকার পদ্মা নদীর মৎস্য জীববৈচিত্র্য: অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত

রাজশাহী এলাকার (গোদাগাড়ী থেকে চারঘাট পর্যন্ত) পদ্মা নদীতে রেকর্ডকৃত মৎস্য প্রজাতির সংখ্যা ১৪১টি যার মধ্যে ১৩৬ টি দেশী মাছ এবং অবশিষ্ট ৫টি বিদেশী প্রজাতির মাছ। এত স্বল্প পরিসরে এই বিপুল সংখ্যক মৎস্য প্রজাতি প্রাপ্তির বিষয়টি আমাদেরকে উদ্বেলিত করে। বিশেষত যারা মৎস্য বা প্রাণী বৈচিত্র্য বিষয়ে আগ্রহী তাদেরকে আশাবাদীও করে তোলে। তবে আশংকার কথা হচ্ছে উল্লেখিত ১৩৬ প্রজাতির দেশী মাছের মধ্যে প্রায় ষাট প্রজাতির মাছ বর্তমানে দুষ্প্রাপ্য। অর্থাৎ পদ্মার বৈচিত্র্যময় প্রজাতির একটা বড় অংশ আজ হুমকির মুখে। রাজশাহীর গোদাগাড়ী থেকে চারঘাট পর্যন্ত এলাকার পদ্মা নদীতে ১৪১ প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার পদ্মা নদীতে মাত্র ৭২ প্রজাতির মাছ পাওয়া …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: পরিবেশ | পরিবেশ | মাৎস্য চাষ | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি | স্বাদুপানি

প্লাবনভূমিতে মাছ চাষ: দেশীয় মৎস্য জীববৈচিত্র্যের কফিনে ঠোকা শেষ পেরেক

যে ভূমি বছরে ৩-৪ মাস বন্যার প্লাবিত জলে ডুবে থাকে সে ভূমিকে সাধারণভাবে প্লাবনভূমি বলা হয়ে থাকে। হিমালয়ের ভাটিতে অবস্থিত এই সমতল ভূমির এটিই স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যে প্রতি বর্ষায় উজানের বন্যার পানি ভাটির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ পানির প্রবাহ কেবলমাত্র নদীর মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব হয় না বলেই অতিরিক্ত পানি নদী উপচে সমতল জমিতে প্রবেশ করে তাকে জলমগ্ন করে তোলে। এভাবে কয়েক মাস চলার পর বৃষ্টির পরিমাণ কমে এলে ভূমি থেকে পানি নেমে যেতে থাকে এবং একটা সময় পর কেবলমাত্র নদী দিয়েই পানির প্রবাহ সম্পন্ন হওয়া সম্ভব হয়। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ৩-৪ …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | পরিবেশ | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে বাঁধ মুক্ত বাংলাদেশ সময়ের দাবী

প্রকৃতিকে ততটাই পরিবর্তন করা যায় যতটা সে নিজে থেকে মেনে নেয়। এই সহজ সরল সত্যটি জানার পারও মানুষ তার স্বার্থ, লোভ আর ক্ষমতার পরিধি বাড়াতে অবিবেচকের মত প্রকৃতিকে মাত্রারিক্ত পরিবর্তন করে চলেছে। ফলশ্রুতিতে একটা সময় পর প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়ে নতুন নতুন সমস্যার আবির্ভাব ঘটে যার সমাধান করা মানুষের ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। শুধু বাংলাদেশেই নয় পৃথিবীজুড়ে বিবেচনাহীনভাবে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ সাময়িকভাবে মানুষের আবাস ও ফসলের ক্ষেত্রকে প্রসারিত করলেও শেষ পরিণতিতে যে বিপর্যয় নেমে আসে তা বড় ধরণের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায়। এই সহজ সমীকরণটি একুশ শতকে এসে অনুধাবন করতে পেরে অনেক উন্নত দেশ তাদের শত শত …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | মাৎস্য সম্পদ

বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্য রক্ষার উপায়

বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্যের অতীত ও বর্তমান এবং বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্য হ্রাসের কারণ বিষয়ক লেখা দুটি তৈরির সময় এবিষয়ে বেশ কয়েকটি লেখা (তথ্যসূত্র ০১-১৬) পড়ার সুযোগ আমার হয়। সেসব লেখায় এদেশের মৎস্য বৈচিত্র্যের বর্তমান চিত্র উপস্থাপনার পাশাপাশি তা রক্ষায় উপায় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সেই আলোচিত উপায়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-

মাছের আবাসস্থল ও প্রজননক্ষেত্র উদ্ধার ও সংস্কার জলজ বনায়ন সৃজন ও টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা কৌশল প্রণয়ন জলাশয়ের স্বল্পমেয়াদী বাণিজ্যিক ইজারা প্রথার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী বিজ্ঞানসম্মত উৎপাদনভিত্তিক জৈবব্যবস্থাপনা পদ্ধতির প্রচলন উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণের ক্ষতিকর উপকরণ ও পদ্ধতি ব্যবহার না করা অভয়াশ্রম স্থাপন ও তার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ কৃষি ক্ষেত্রে পরিমিত …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা

বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্য হ্রাসের কারণ

বর্তমানে বিল, হ্রদ, হাওড়, প্লাবনভূমি ও নদীর মত উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশী মাছের প্রজাতির সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকলেও বিদেশী প্রজাতির সংখ্যা বিপদজনক ভাবে দ্রুত বাড়ছে যা দেশের মৎস্য বৈচিত্র্যের জন্য মোটেও কোন আশাপ্রদ খবর নয়। সময় নষ্ট না করে এখনই প্রয়োজন বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্য হ্রাসের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা এবং ইতোমধ্যে বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্য হ্রাসের প্রেক্ষিতে যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তা মাঠ পর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা এবং আরও যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন তা খুঁজে বেড় করে দ্রুত বাস্তবায়ন করা। এ লেখায় বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্য হ্রাসের কারণসমূহ খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা থাকবে। মাৎস্যবিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ, গবেষকসহ সাধারণ মানুষ এবিষয়ে কী …বিস্তারিত