ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

ইলিশ রক্ষায় জাটকা সংরক্ষণ: বর্তমান ও ভবিষ্যত

ইলিশ কেবলমাত্র আমাদের জাতীয় মাছই নয় জাতীয় সম্পদও বটে। বাংলাদেশে মোট উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে এবং জিডিপিতে এর অবদান শতকরা ১ ভাগ। বর্তমানে ইলিশের উৎপাদন প্রায় ৩.০ লক্ষ মে.টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭,৫০০ কোটি টাকা। উৎপাদিত ইলিশের সামান্যই বিদেশে রফতানি করে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। প্রায় ৫.০ লক্ষ লোক ইলিশ আহরণে সরাসরি নিয়োজিত এবং ২০-২৫ লক্ষ লোক পরিবহন, বিক্রয়, জাল ও নৌকা তৈরি, বরফ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রফতানি ইত্যাদি কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত [১]। তাই আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতির সাথে এ মাছ রক্ষার একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। ইলিশ মাছের উৎপাদন কমে যাবার …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: উপকূলীয় ও সামূদ্রিক | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

নদীতে বাড়ছে লবণাক্ততাঃ হুমকির মুখে জলজ জীববৈচিত্র্য

দেশের স্বাদুপানির পাশাপাশি লোনাপানির নদীর লবণাক্ততাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই বৃদ্ধির পরিমাণ একদিকে যেমন মাত্রাগত অন্যদিকে সময়গত। অর্থাৎ দিন দিন যেমন লবণাক্ততার তীব্রতা বাড়ছে তেমনই বাড়ছে লবণাক্ততার স্থায়ীত্ব। এর ফলশ্রুতিতে একদিকে মানুষের জীবন ও জীবিকায় পড়েছে মারাত্মক প্রভাব অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়েছে জলজ জীববৈচিত্র্য। এই লেখায় নদীতে লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণ এবং নানাবিধ প্রভাব এবং করণীয় কি তাই তুলে ধরা হবে।

গত ৯ মে ২০১০ তারিখের প্রথম আলোতে প্রকাশিত “মিঠাপানির মধুমতীতে লবণাক্ততা” শিরোনামের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়- গোপালগঞ্জের স্বাদুপানির নদী মধুমতির পানির লবণাক্ততা স্থায়ী রূপ পেতে শুরু করেছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দলের প্রধান আ. কাদির ইবনে কামাল …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারঃ মৎস্য বৈচিত্র্যের জন্য হুমকি স্বরূপ

উত্তরাঞ্চলের অনেক নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ (মূলত বাঁশ ও বানা বা জাল ব্যবহার করে এই বাঁধ বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়) দিয়ে মাছ ধরা দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। ইদানিং পত্রিকায় বড় নদী যেমন পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে এভাবে মাছ ধরার খবর প্রকাশিত হবার প্রেক্ষিতে নিশ্চিত করে বলা যায় এভাবে মাছ শিকারের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।

যেমন- গত ১৪ মে ২০১০ তারিখের প্রথম আলোর বিশাল বাংলা পাতায় প্রকাশিত “পদ্মায় বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার চলছেই” শিরোনামের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়- পদ্মা নদীর রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নে বেশ কয়েকটি এলাকায় বাঁশের তৈরি বাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে মাছ ধরার কাজ চলছে। এ নিয়ে বেশ …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: পরিবেশ | মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

ফিসপাস বাংলাদেশের মাৎস্যখাতে কতটা ভূমিকা রাখছে?

সারিয়াকান্দি ফিসপাসের মূল অবকাঠামোর একাংশ

সারিয়াকান্দি ফিসপাসের মূল অবকাঠামোর একাংশ

ফিসপাস বলতে দুটি জলাশয়ের (যেমন নদী ও নদী, নদী ও হাওর, নদী ও বিল ইত্যাদি) মধ্যে মাছ চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী কৃত্রিম বাঁধ বা রাস্তায় স্থাপিত এমন একটি গঠন কাঠামোকে বোঝায় যার মধ্যে দিয়ে সারা বছরব্যাপী নিরাপদে মাছ চলাচল করতে পারে। এটি ফিসপাস ছাড়াও ফিস প্যাসেজ, ফিস ওয়ে, ফিস ফ্রেন্ডলি স্ট্রাকচার (fish friendly structure) ইত্যাদি নামে পরিচিত। নব্বই এর দশকে বাংলাদেশে ফিসপাসের ধারণাটির সূত্রপাত হয়। সারা পৃথিবীতে প্রধানত ছয় ধরণের ফিসপাস দেখতে পাওয়া গেলেও পুল ধরণের …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: ইভেন্ট | পরিবেশ | প্রকল্প | প্রকাশনা | ভিডিও | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | লাইভলিহুড | স্বাদুপানি

মৎস্যসম্পদ ও মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষায় সমাজ ভিত্তিক মৎস্যব্যবস্থাপনা প্রকল্পের ভূমিকা

বিগত প্রায় কয়েক দশক ধরে পরিবেশ বিপর্যয় ও মানুষ সৃষ্ট বিভিন্ন কারণে সর্বোপরি সুষ্ঠ মৎস্যব্যবস্থাপনার অভাবে আমাদের মৎস্যসম্পদ দিনে দিনে হ্রাস পাচ্ছে। সুচিহ্নিত কারণসমূহ হচ্ছে-

কৃষি জমি ও আবাসন সম্প্রসারণ অবৈধ দখল, পলি জমা ও অন্যান্য কারণে জলাভূমি ভরাট শুষ্ক মৌসুমে মাছের আবাসস্থল সংকোচন মাত্রাতিরিক্ত ও ক্ষতিকারক বিভিন্ন উপায়ে মৎস্য আহরণ কৃষি জমিতে ব্যাপক রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার আন্তঃনদী সংযোগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস প্রচলিত মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরনের লক্ষ্যে সমাজ ভিত্তিক মৎস্যব্যবস্থাপনা প্রকল্প মৎস্য ব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মৎস্যজীবী ও স্থানীয় জনগণকে সরাসরি সম্পৃক্ত করে মৎস্যসম্পদ ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় কাজ করে আসছে। মৎস্য …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য জীববৈচিত্র্য | মাৎস্য ব্যবস্থাপনা | স্বাদুপানি

হুমকির মুখে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন

দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস, মা-বাবা মাছ মাত্রাতিরিক্ত নিধন, শিশু বা পোনা মাছ পরবর্তীতে মা/বাবা মাছে পরিনত হবার সুযোগ না পাওয়া ইত্যাদি নানাবিধ কারণে আজ হুমকির মুখে মাছে প্রাকৃতিক প্রজনন।

বন্য নিয়ন্ত্রণ ও রাস্তাঘাট উন্নয়নের নামে যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবার লক্ষে কেবলমাত্র চাষাবাদকে গুরুত্ব দেয়ায় চাষের জমি বাড়ানোর লক্ষ্যে উঁচু-নীচু সকল ধরণের জমিকে উচ্চফলনশীল ধান চাষের আওতায় নিয়ে আসতে যেয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে অপরিকল্পিত বাঁধ যা না পারছে নিশ্চিতভাবে বন্যা মুক্ত করতে না পারছে প্রাকৃতিক পরিবেশকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে।

অন্যদিকে প্রয়োজনীয় ব্রীজের ব্যবস্থা না রেখেই …বিস্তারিত