ফিশারীজ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবর: মার্চ ২০১১

সংবাদপত্রের পাতায় প্রকাশিত ফিশারীজ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ন খবরের সংকোলন নিয়ে এ লেখা। সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্করণে এবং অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর এখানে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। তারপরও অনেক সংবাদপত্র বাদ পড়ে গেল সেজন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ভবিষ্যতে তা অন্তর্ভূক্ত করার ইচ্ছে রইল। আপনাদের

রেসিপি: চিংড়ি পোলাও

উপকরণ: চিংড়ি পরিমাণ মত। পোলাও এর চাল পরিমাণ মত। বিভিন্ন সবজি (পছন্দ অনুসারে)। পিঁয়াজ বাটা। রসুন বাটা । আদা বাটা। জিরা বাটা । কাঁচা মরিচ বাটা। লং, দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা। লবণ। সয়াবিন তেল। পদ্ধতি: একটি পাত্রে পানি ফুটতে দিন। আরেকটি

মাছের মেলা: বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী উৎসব

মেলা শব্দটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে হরেক রকমের খেলনা, নানা ধরণের বাঁশির কান ফাটানো শব্দ আর হাজারো মানুষের কলরব। নামে মাছের মেলা হলেও এ মেলাও এর ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে এ মেলার বাতাসে ছড়িয়ে পড়া হাজারো মাছের

বই পরিচিতি: কর্ডেট ভ্রুণবিদ্যা (দ্বিতীয় খণ্ড)

বাংলাভাষায় রচিত এবং বাংলা একাডেমী ঢাকা থেকে প্রকাশিত গাজী এস.এম আসমত (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) এর কর্ডেট ভ্রুণবিদ্যা (২য় খণ্ড) বইটি একদিকে যেমন প্রাণিবিদ্যার অন্যদিকে তেমনই ফিশারীজের বিশেষত ফিশারীজ জীববিজ্ঞান ও জেনেটিক্সের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকের ভ্রূণের পরিস্ফুটন বিষয়ক কাঙ্ক্ষিত জ্ঞান অর্জনে

বই পরিচিতি: কর্ডেট ভ্রুণবিদ্যা (প্রথম খণ্ড)

বাংলাভাষায় রচিত এবং বাংলা একাডেমী ঢাকা থেকে প্রকাশিত গাজী এস.এম আসমত (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) এর কর্ডেট ভ্রুণবিদ্যা (১ম খণ্ড) বইটি একদিকে যেমন প্রাণিবিদ্যার অন্যদিকে তেমনই ফিশারীজের বিশেষত ফিশারীজ জীববিজ্ঞান ও জেনেটিক্সের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকের ভ্রূণের পরিস্ফুটন বিষয়ক কাঙ্ক্ষিত জ্ঞান অর্জনে

বাংলাদেশে কোথায় কখন কোন মাছ ধরা নিষিদ্ধ

বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জলাশয় যেমন- নদী, উপকূলীয় এলাকা, সমুদ্র, হ্রদ ইত্যাদির সুনির্দিষ্ট অংশে বছরের কোন না সময় বিভিন্ন ধরণের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। বাংলাদেশে কোথায় কখন কোন মাছ ধরা নিষিদ্ধ সে সম্পর্কে একটা ধারনা