ব্লাক কার্প বা স্নেল কার্প

ব্লাক কার্প বা স্নেল কার্পের আদি নিবাস পূর্ব সাইবেরিয়া হতে শুরু করে দক্ষিণ চীনের আমুর নদীর অববাহিকা পর্যন্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম Mylopharyngodon piceus। ১৯৮৩ সালে প্রথমবারের মতো চীন হতে চাষ ও শামুক নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে আমাদের দেশে নিয়ে আসে মৎস্য অধিদপ্তর।

চিংড়িঃ পরিবেশবান্ধব চাষ প্রযুক্তি, আর্থ-সামাজিক ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা

জলবাযু, পরিবেশ ও সামাজিক দ্বায়িত্ববোধের মতো বিষয়াবলি নিয়ে বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবী যথন তোলপাড় ঠিক সে সময়ে ড. সুশান্ত কুমার পালের “চিংড়িঃ পরিবেশবান্ধব চাষ প্রযুক্তি, আর্থ-সামাজিক ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা” বইটি ফিশারীজ সেক্টর তো বটেই দেশের অর্থ-সামাজিক ও পরিবেশগত প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত

গ্রাস কার্প বা ঘেসো রুই

গ্রাস কার্প বা ঘেসো রুই চীন ও পূর্ব সাইবেরিযার বিশেষত আমুর নদীতন্ত্রের মাছ যার বৈজ্ঞানিক নাম Ctenopharyngodon idella। ১৯৬৬ ও ১৯৭৯ সালে আমাদের দেশে যথাক্রমে হংকং ও জাপান থেকে চাষ এবং জলজ আগাছা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে আমাদের দেশে আনা হয়। নদী

বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ পরিসংখ্যান: ২০০৭-০৮

চাষের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৬ষ্ঠ। গত দুই দশকে অহরণকৃত মাৎস্য উৎপাদন বেড়েছে ৬ শতাংশ এবং চাষের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বেড়েছে ২২ শতাংশ। মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের ৬.৬৭ শতাংশ এবং মোট বদ্ধ জলাশয়ের ৫৭.৭৩ শতাংশ পুকুর। অথচ মোট অভ্যন্তরীণ

বিডিফিশ বাংলা টিম: ২০০৯

টিম লিডার এ. বি. এম. মহসিন   সদস্যবৃন্দ শামস মুহাঃ গালিব   মোঃ মেহেদী হাসান   ডঃ মোঃ আক্তার হোসেন   সৈয়দা নূসরাত জাহান   সৈয়দা মুসাহিদা আল নূর  

প্রথম বিডিফিশ বাংলা টিম (২০০৭-২০০৮)

২০০৭ সালের তিনজন সদস্য নিয়ে প্রথম বিডিফিশের যাত্রা শুরু হয়। ফিশারীজ সংশ্লিষ্ট তথ্য সবার কাছে সহজ প্রাপ্য করার লক্ষে ফ্রি ডোমেইন ও হোস্টিং এর উপর নির্ভর করে এইচটিএমএল ভিত্তিক একটি ওয়েবসাইট প্রকাশ করা হয়। কিন্তু অল্প দিনেই প্রকাশনার পরিধি বাড়তে