বাংলাদেশের বিদেশী মাছ: ফ্যান্টম টেট্রা

ফ্যান্টম টেট্রা মাছটি ব্ল্যাক ফ্যান্টম টেট্রা নামেও পরিচিত। মাছটির বৈজ্ঞানীক নাম Hyphessobrycon megalopterus । ফ্যান্টম টেট্রা মাছটি থাইল্যাণ্ড ও সিঙ্গাপুর হতে একুরিয়াম মাছ আমদানীকারকদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করে (Galib and Mohsin, 2010 and 2011)। এদের আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা (Wikipedia,

বাংলাদেশের বিদেশী মাছ: ব্ল্যাক কার্প/স্নেইল কার্প

ব্ল্যাক কার্প মাছটি ১৯৮৩ সালে চীন হতে মৎস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয় (Rahman, 2007; Khaleque, 2002; Galib and Mohsin, 2011)। এর বৈজ্ঞানিক নাম Mylopharyngodon piceus । এটি স্নেইল কার্প নামেও পরিচিত (Galib and Mohsin, 2011)। বাংলাদেশে এই মাছটি মূলতঃ

বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্য রক্ষার উপায়

বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্যের অতীত ও বর্তমান এবং বাংলাদেশের মৎস্য বৈচিত্র্য হ্রাসের কারণ বিষয়ক লেখা দুটি তৈরির সময় এবিষয়ে বেশ কয়েকটি লেখা (তথ্যসূত্র ০১-১৬) পড়ার সুযোগ আমার হয়। সেসব লেখায় এদেশের মৎস্য বৈচিত্র্যের বর্তমান চিত্র উপস্থাপনার পাশাপাশি তা রক্ষায় উপায় নিয়েও

মৎস্যচাষের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী কিছু মাছের পোনা

আমাদের দেশে সে সকল মাছের চাষ করা হয় তার বেশীরভাগই রুই জাতীয় মাছ। এসকল মাছের মধ্যে রয়েছে মেজর কার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউস) ও চাইনিজ কার্প (সিলভার কার্প, বিগহেড কার্প, কমন কার্প ও গ্রাস কার্প)। এসব মাছ ব্যাতীত বেশ

ফিশারীজ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবর: জুন ২০১১

সংবাদপত্রের পাতায় প্রকাশিত ফিশারীজ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবরের সংকলন নিয়ে এ লেখা। সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্করণ, অনলাইন সংবাদপত্র ও এজেন্সিতে প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ খবর এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারপরও অনেক সংবাদপত্র ও সংবাদ বাদ পড়ে গেল সেজন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ভবিষ্যতে তা অন্তর্ভুক্ত

যশোরে স্থানীয়ভাবে টিউবিফেক্স সংগ্রহ ও বিক্রয়

যশোর জেলার সদর উপজেলার চাঁচড়া এলাকায় মাছের জীবন্ত খাবার টিউবিফেক্স স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ ও বিক্রয় করা হচ্ছে। চাঁচড়া এলাকায় রয়েছে বেশ কিছু হ্যাচারী, প্রচুর সংখ্যক পুকুর এবং বেশ কিছু ড্রেন। টিউবিফেক্স সংগ্রহ করা হচ্ছে এসকল ড্রেন হতে! যিনি এই সংগ্রহের কাজটি