ক্যাটাগরি: প্রতিষ্ঠান | মাৎস্য সম্পদ

মৎস্য জাদুঘরঃ মৎস্য বিষয়ক জ্ঞানার্জন ও বিনোদনের সম্মিলিত প্রয়াস

জাদুঘর ও মৎস্য জাদুঘরঃ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অতীত ঐতিহ্য সংরক্ষন করে রাখার উদ্দেশ্যে বিশ্বের বড় বড় শহরে প্রথম জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আর শুধু সংরক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রদর্শন, শিক্ষা, গবেষণা এমন কি বিনোদনের একটি স্থানে পরিনত হয়েছে। বলা হয়ে থাকে জাদুঘর হল একটি ভবন বা প্রতিষ্ঠান যা সংগৃহীত কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট বস্তুর একটি সংগ্রহশালা (wikipedia, 2010). আবার জাদুঘর হচ্ছে সমাজ এবং এর উন্নয়নের জন্য সেবাদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান (ICOM, 2010). আই. ও. সি. এম. (১৯৭৪) এর দশম সাধারন সভায় গৃহীত সংজ্ঞা …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য চাষ

মৎস্য খাতে বিপর্যয়ঃ প্রেক্ষাপট পরিবেশ দুষণ

মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য যেমন পরস্পরের উপর নির্ভরশীল তেমনি উভয়েই তার চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশের উপরেও নির্ভরশীল। প্রকৃতিতে শক্তির রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি আপন নিয়মেই চলে। কিন্তু গত কয়েক শত বছর ধরে মানুষ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকৃতির রূপান্তরের এক বড় নিয়ামক। সাম্প্রতিক সময়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে পৃথিবীর বুকে গড়ে উঠেছে অসংখ্য কলকারখানা আর যান্ত্রিক বাহন। দুরন্ত গতিতে যেমন বেড়েছে খনিজ তেল, গ্যাস ও কয়লার ব্যবহার তেমনি আসবাবপত্র, ঘরবাড়ি, জ্বালানী ও কৃষি জমির জন্য উজাড় করে ফেলছে গাছপালা । নগরায়ন ও শিল্পায়নে খনিজ জ্বালানির ব্যবহার …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য চাষ | লাইভলিহুড

মৎস্য খাতে নারী ও শিশুর অংশগ্রহণঃ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

বাংলাদেশ মূলত কৃষি নির্ভর। এদেশের ৪৫.১% মানুষ জীবিকার জন্য কৃষির উপর নির্ভরশীল (BBS, 2004)। মৎস্য কৃষিখাতের একটি অন্যতম প্রধান উপখাত যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। দেশের প্রায় ১.২৫ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে (মৎস্য অধিদপ্তর, ২০০৯)। উপকূলীয় অঞ্চলের জনগনের কাছে বাগদা চিংড়ির পোনা আহরণ অর্থ উপার্জনের একটি আকর্ষণীয় মাধ্যম। প্রায় ১৬০,০০০ জনের বেশী জেলে সরাসরি মাছ ধরার কাজে এবং প্রায় ১৮৫,০০০ জন চিংড়ির পোনা আহরণের সাথে জড়িত (মৎস্য অধিদপ্তর, ২০০৭)।

উপকূলীয় এলাকায় চিংড়ি …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাছ | মাৎস্য সম্পদ

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাছ

সাধারন অর্থে শারিরীক ও মানসিকভাবে ভাল ও সুস্থ থাকাকে স্বাস্থ্য বা সুস্থতা বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের বেশিরভাগ মানুষই অপুষ্টিতে ভোগে। বিশেষত গ্রামীন ও শহরের দরিদ্র শিশু ও মহিলারা দারিদ্র্যতার দরুন যথেষ্ঠ পুষ্টিকর খাবার পায় না। বিবিএস (২০০৯) এর তথ্যমতে বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে রয়েছে। তারা যেমন খাদ্যের অভাবে থাকে তেমনই অপুষ্টিতে ভোগে। কিন্তু মানবদেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধির জন্য আমিষ বা প্রোটিন অপরিহার্য। বাংলাদেশের মানুষের প্রতিদিন গড়ে প্রোটিন গ্রহনের পরিমান ৬২.৫২ গ্রাম (পরিসংখ্যান বুলেটিন, ২০০৮)। মৎস্য অধিদপ্তর (২০০৯) এর তথ্যানুসারে প্রাণিজ …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মাৎস্য চাষ

পরিবর্তিত জলবায়ুঃ মৎস্যখাতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হুমকি এবং করণীয়

প্রতিনিয়ত আমাদের প্রিয় পৃথিবী উত্তপ্ত থেকে উত্তপ্ততর হযে উঠছে। মূলত মানুষ কর্তৃক পরিচালিত উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন, জ্বালানিসহ মাত্রাতিরিক্ত প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, ভূমি ও বন ব্যবহার, ভোগবিলাস ইত্যাদি নানা কর্মকান্ড থেকে দীর্ঘদিন ধরে উৎসারিত এবং বায়ুমণ্ডলে পুঞ্জীভূত গ্রীন হাউজ গ্যাসের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়েছে। এবং ভবিষ্যতে তা আরও দ্রুতগতিতে বাড়বে বলে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন (আহমদ, ২০০৮) । অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এর প্রভাব প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। ২০০৭ সালে রাজশাহীতে বৃষ্টিপাতের পরিমান ছিল ৯.৩৯ মিমি যা ২০০৮ এ হয়েছে ৮.০৪ মিমি ও ২০০৯ এ এসে …বিস্তারিত

ক্যাটাগরি: মান নিয়ন্ত্রণ | মাৎস্য প্রযুক্তি

ক্রেতা অধিকার সংরক্ষণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের চিংড়ি পণ্যের মান উন্নয়ন

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চিংড়ি শিল্প একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে চিংড়ির মোট উৎপাদন ছিল ২২৩,০৯৫ মে. টন যার মধ্যে ৪৯৯০৭ মে. টন চিংড়ি রপ্তানী করে ২৮৬৩.৯২ কোটি টাকার সমপরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে (মৎস্য অধিদপ্তর, ২০০৯)। বর্তমানে চিংড়ি কারখানায় চিংড়ি ও মত্স্যজাত পন্যের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য হ্যাসাপ নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হয়েছে । মাঠ পর্যায়েও হ্যাসাপ নীতিমালার বাস্তবায়ন অপরিহার্য। কারণ চুড়ান্ত পর্যায়ে চিংড়ির মান রক্ষার প্রথম পদক্ষেপই হল খামার থেকেই এর পরিচর্যা ও পরিবহনের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা। তাই গুণগতমান নিয়ন্ত্রণের জন্য আহরণের …বিস্তারিত