বই পরিচিতি: বাংলাদেশের ছোট মাছঃ জীববৈচিত্র্য, চাষ ব্যবস্থাপনা, পুষ্টিমান ও প্রক্রিয়াজাতকরণ

পুষ্টিমান ও জীববৈচিত্র্যের দৃষ্টিকোন থেকে ছোট মাছ আজ শুধু মৎস্য বিজ্ঞানীদেরই নয় মৎস্য বিষয়ক শিক্ষার্থী, গবেষক, পুষ্টিবিদ, পরিবেশবিদ, সম্প্রসারণকর্মী ও অগ্রসর মৎস্যচাষীদের আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে। ঠিক এরকম একটি সময়ে ডক্টর ইনামুল হকের “বাংলাদেশের ছোট মাছঃ জীববৈচিত্র্য, চাষ ব্যবস্থাপনা, পুষ্টিমান

দেশী রূপচাঁদা ও বিদেশী লাল পাকু মাছের মধ্যে পার্থক্য

দক্ষিণ আমেরিকার স্বাদুপানির মাছ লাল পাকু (বাংলাদেশে পিরানহা নামেই অধিক পরিচিত) বাংলাদেশে বাহারী মাছ হিসেবে প্রবেশ করলেও পরবর্তীতে হ্যাচরী মালিক ও মাছচাষীদের হাত ধরে প্রায় সারা দেশের চাষের পুকুরে চলে আসে। আশঙ্কা করা হয় এই মাছ আমাদের মুক্ত জলাশয়ে চলে

ফরমালিন বিহীন ও ফরমালিন যুক্ত মাছের পার্থক্য

অন্যান্য যে কোন প্রাণীর মতো মাছও মারা যাওয়ার পর দ্রূত পচতে শুরু করে। পচনের এই হার নির্ভর করে মাছের শরীরস্থ অনুজীবের (মূলত ব্যকটেরিয়া) কর্মশীলতার উপর। মৃত মাছের শরীরের পরিবেশ অনুজীবের জন্য যতটা উপযুক্ত হয় ততটা বেশি কর্মশীলতা এরা প্রদর্শণ করে।

মৃত প্রাণী ব্যবহার করে মাছ শিকারঃ মৎস্য বৈচিত্র্যের জন্য একটি বড় হুমকি

চিত্রঃ মৃত প্রাণী ব্যবহার করে মাছ শিকারের একটি টোপ। রাজশাহীর পদ্মা নদীতে মৃত প্রাণী ব্যবহার করে মাছ শিকারের বিষয়টি প্রথম আমি জানতে পারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ বিভাগের এক গবেষক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে। তার পর নিজে চোখে বিষয়টি দেখার জন্য রাজশাহী

চিংড়িঃ হ্যাচারী, আধুনিক চাষ প্রযুক্তি ও রোগ ব্যবস্থাপনা

“চিংড়িঃ হ্যাচারী, আধুনিক চাষ প্রযুক্তি ও রোগ ব্যবস্থাপনা” শিরোনামের বইটি উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিংড়ি বিজ্ঞান লেখক ড. সুশান্ত কুমার পালের গবেষণা সমৃদ্ধ তথা তথ্য ভিত্তিক পুস্তক যা বাংলাভাষায় পূর্ণাঙ্গ চিংড়ি বিষয়ক রেফারেন্স বই হিসেবে স্বীকৃত। বইটির মোট এগারটি অধ্যায়ের মধ্যে প্রথম